খবর লাইভ : রাস্তার সারমেয়দের খাওয়ানোর অধিকার আছে আমআদমির। এমনই রায় দিল দিল্লি হাইকোর্ট। শুধু রায় দেওয়া নয়, এই সংক্রান্ত একাধিক সমস্যার কথাও তুলে ধরেন বিচারপতি জে আর মিধা।
বিচারকের বক্তব্য, কমিউনিটি ডগদের (রাস্তার সারমেয়) খাওয়ানোর অধিকার আছে পশুপ্রেমীদের। নিজেদের উঠোন বা নির্দিষ্ট কোনও স্থানে তাঁরা তা করতে পারেন।এবিষয়ে স্থানীয় আধিকারিকদের সঙ্গে প্রয়োজনে আলোচনা করা যেতে পারে। বিচারপতি আরও বলেছেন, টিকা দেওয়া এবং স্টেরিলাইজ করা সারমেয়দের ধরতে পারে না মিউনিসিপালিটি। পথের সারমেয়দের টিকা ও স্টেরিলাইজেশনের দায়িত্ব মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন, রেসিডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন এবং স্থানীয় ডগ লাভার্স গ্রুপের। হাইকোর্ট জানায়, পথের কুকুরদের সংখ্যা বৃদ্ধি রোধ করতে নির্বীজকরণ করা আবশ্যিক। কুকুরপ্রেমী এবং অন্যান্য বাসিন্দাদের মধ্যে শান্তি বজায় রাখার জন্য স্থানীয় পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিচারপতি বলেন, প্রতিটি জীবিত প্রাণীর প্রতি আমাদের সহমর্মিতা দেখানো উচিত। পশুরা কথা বলতে পারে না, কিন্তু আমাদের দায়িত্ব ওদের হয়ে কথা বলা। পশুদের প্রতি যেন কোনও যন্ত্রণাদায়ক ঘটনা না ঘটে তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পশুদেরও আবেগ আছে। ওদেরও খাদ্য, বাসস্থান, স্বাভাবিক ব্যবহার এবং চিকিৎসার সুবিধা প্রয়োজন।
রাস্তার সারমেয়দের খাওয়ানোর অধিকার
আছে আমআদমির, নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের
খবর লাইভ : রাস্তার সারমেয়দের খাওয়ানোর অধিকার আছে আমআদমির। এমনই রায় দিল দিল্লি হাইকোর্ট। শুধু রায় দেওয়া নয়, এই সংক্রান্ত একাধিক সমস্যার কথাও তুলে ধরেন বিচারপতি জে আর মিধা।
বিচারকের বক্তব্য, কমিউনিটি ডগদের (রাস্তার সারমেয়) খাওয়ানোর অধিকার আছে পশুপ্রেমীদের। নিজেদের উঠোন বা নির্দিষ্ট কোনও স্থানে তাঁরা তা করতে পারেন।এবিষয়ে স্থানীয় আধিকারিকদের সঙ্গে প্রয়োজনে আলোচনা করা যেতে পারে। বিচারপতি আরও বলেছেন, টিকা দেওয়া এবং স্টেরিলাইজ করা সারমেয়দের ধরতে পারে না মিউনিসিপালিটি। পথের সারমেয়দের টিকা ও স্টেরিলাইজেশনের দায়িত্ব মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন, রেসিডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন এবং স্থানীয় ডগ লাভার্স গ্রুপের। হাইকোর্ট জানায়, পথের কুকুরদের সংখ্যা বৃদ্ধি রোধ করতে নির্বীজকরণ করা আবশ্যিক। কুকুরপ্রেমী এবং অন্যান্য বাসিন্দাদের মধ্যে শান্তি বজায় রাখার জন্য স্থানীয় পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিচারপতি বলেন, প্রতিটি জীবিত প্রাণীর প্রতি আমাদের সহমর্মিতা দেখানো উচিত। পশুরা কথা বলতে পারে না, কিন্তু আমাদের দায়িত্ব ওদের হয়ে কথা বলা। পশুদের প্রতি যেন কোনও যন্ত্রণাদায়ক ঘটনা না ঘটে তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পশুদেরও আবেগ আছে। ওদেরও খাদ্য, বাসস্থান, স্বাভাবিক ব্যবহার এবং চিকিৎসার সুবিধা প্রয়োজন।




