District

বিজেপির কাছে মাথা নত করব না : মমতা

5
(1)

খবর লাইভ : হুগলির পুরশুড়ার জনসভা থেকে ফের আরও একবার বিজেপিকে তুলোধোনা করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার সভা থেকে বিজেপিকে নিশানা করে তৃণমূল নেত্রী জানিয়ে দেন, ‘আমরা বিজেপিকে বাংলায় ঢুকতে দেব না। আমি জেলে থাকতে রাজি, কিন্তু বিজেপির ঘরে থাকতে রাজি নই।’ একই সঙ্গে তিনি জানান, আমি বিজেপির কাছে মাথা নত করব না। আমায় যা ইচ্ছে আক্রমণ করুক, অসম্মান করুক। কিন্তু আমার বাংলাকে অসম্মান করতে দেব না। এদিন মমতা অভিযোগের সুরেই জানান, বাংলায় বিজেপিকে নিয়ে এসেছে বাম আর কংগ্রেস। আসলে এরা হচ্ছে জগাই, মাধাই আর গদাই। তিন ভাই। এদিন বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে তৃণমূল নেত্রী জানিয়ে দেন, ‘বিজেপি ফেক পার্টি হয়ে গেছে। বিজেপি ফেক ভিডিও তৈরি করে। কোনও ভিডিও বিশ্বাস করবেন না। এরা একটা দাঙ্গাবাজ পার্টি। যেখানে এসেছে, সেখানে এসেই আগুন লাগায়। নিজেদের পার্টি অফিসে নিজেরাই আগুন লাগায়। কিছুদিন আগে বর্ধমানের পার্টি অফিসে আগুন লাগিয়েছে। ব্যারাকপুরে আগুন লাগিয়েছে।’ এদিন দল বদলুদেরকেও কড়া বার্তা দেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, যাঁরা বিজেপিতে গিয়েছেন, তাঁদের আর তৃণমূলে নেওয়া হবে না। তৃণমূল তাঁদেরই নেবে, যাঁরা সম্মানীয়। তৃণমূল তাঁদেরই টিকিট দেবে, যাঁরা কাজ করেছেন। যাঁরা কাজ করেননি, তাঁদের টিকিট দেবে না।’ একইসঙ্গে তিনি জানান, যাঁরা লাইন দিয়ে আছেন যাওয়ার জন্য, তাঁরা তাড়াতাড়ি চলে যান। আসলে যাঁরা চলে যাচ্ছে, তাঁদের এখন প্রচুর টাকা। কালো টাকাকে সাদা করতে হবে তো। তাই এখন বিজেপির কাছে পালাচ্ছেন।’ এদিন স্বাস্থ্য সাথী, ফ্রিতে রেশন দেওয়া থেকে শুরু করে একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কথা তুলে ধরেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি জানান, ভোটের আগে যদি কেউ স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নাও পেয়ে থাকে, তাকে অস্থায়ী কার্ড দেওয়া হবে। অস্থায়ী কার্ড দেখিয়ে তারা চিকিৎসার সুবিধা পেতে পারবে। রাজ্য সরকার ইতিমধ্যে জুন পর্যন্ত ফ্রিতে রেশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী দিনেও ফ্রিতে রেশন পাবে। একইসঙ্গে তিনি জানান, করোনায় আমরা ১ বছর কোনও কাজ করতে পারিনি। আগামিদিনে পরশুড়া, খানাকুলে আর বন্যা হবে না। বাঁধ তৈরি হচ্ছে। ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। ৮ বছরে অনেক কাজ করেছি। তারকেশ্বর-আরামবাগ রেলপথ আমার আমলে হয়েছে। বিষ্ণুপুর পর্যন্ত কাজ হয়ে যাবে। তৃণমূল নেত্রী বিজেপিকে হটানোর ডাক দিয়ে জানান, বিজেপিকে খালি করতে হবে। তাই বলছি, হরে কৃষ্ণ হরে রাম, বিদায় যাও বিজেপি-বাম।’ একই সঙ্গে তাঁর মুখে শোনা গেল, ‘হরে কৃষ্ণ হরে হরে, তৃণমূল ঘরে ঘরে।’

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *