প্রশ্ন, দেশের বেকারত্ব সমস্যার হাল নিয়ে….
খবর লাইভ: করোনা মহামারীর কারণে দীর্ঘ সময় থমকে ছিল দেশের অর্থনীতি। ধীরে ধীরে আবার তা ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত মিলছে। মঙ্গলবার এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ।
উল্লেখ্য, গত অগাস্ট মাসে শূন্যের নীচে নেমে গিয়েছিল জিডিপি’র হার। সেই আঁধার কাটিয়ে আলোর দিশা পাওয়া গিয়েছে। নির্মলার দাবি, জিএসটি আদায় বৃদ্ধি আশার আলো জাগিয়েছে। দেশে জিএসটি আদায় সবচেয়ে বেশি হয়েছে অক্টোবর মাসে। যার পরিমাণ ১ লক্ষ কোটি টাকারও অধিক। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর আরও দাবি, দু’চাকার গাড়ি, রফতানি, প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ, পারচেসিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স অর্থাৎ পিএমআই-এর বৃদ্ধি, করোনায় হওয়া অর্থনীতির ক্ষত সারিয়ে তুলেছে অনেকটাই। এছাড়া গ্রামীণ অর্থনীতিতেও অনেকটা গতি এসেছে বলে জানিয়েছেন নির্মলা। এর পাশাপাশি অর্থনীতির ভিত্তি যে এখনও নড়বড়ে তাও স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি।
অর্থমন্ত্রীর দাবি, রফতানি ক্ষেত্রে এর কোনও প্রভাব পড়েনি। সেক্ষেত্রে বৃদ্ধি অটুট রয়েছে। ছোট, মাঝারি শিল্পক্ষেত্রেও নতুন কাজের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও নতুন দিশা দেখা দিয়েছে। সমস্ত শ্রেণীর শ্রমিকরা তাঁদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে কাজের সুযোগ পাচ্ছেন।
যদিও পারচেসিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স পিএমআই-এর সমীক্ষায় উঠে এসেছে, করোনায় অর্থনীতির চাকা থমকে গিয়ে, সবে হাঁটতে শুরু করলেও বহু সংস্থা বিপুল সংখ্যক কর্মী ছাঁটাই করেছে। স্বাভাবিকভাবেই ‘কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে দিশা পাওয়া’ নিয়ে প্রশ্ন উঠছেই।



