খবর লাইভ : বেআইনি কয়লা পাচার ও পরিবহণ মামলায় ফের রাজ্যজুড়ে বড়সড় তল্লাশি অভিযান চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। মঙ্গলবার রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একযোগে হানা দেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। ইডি সূত্রে খবর, প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট-এর অধীনে প্রায় ১০টি জায়গায় এই তল্লাশি চালানো হয়েছে।
এদিনের অভিযানে বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির বাড়িতে ও অফিসে তল্লাশি চালানো হয়। তাঁদের মধ্যে অন্যতম নাম হলো পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের অফিসার-ইন-চার্জ মনোরঞ্জন মণ্ডল। এছাড়াও কিরণ খান, শেখ আখতার, প্রবীর দত্ত এবং মির্জা হেসামুদ্দিন বেগের ডেরায় হানা দিয়েছে ইডি। কয়লা পাচারের টাকার উৎস এবং লেনদেনের হদিশ পেতেই এই তল্লাশি বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, গত ৮ জানুয়ারি আইপ্যাক-এর দপ্তরে এবং সংস্থার ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই ফের কয়লা পাচার কাণ্ডে তৎপর হল কেন্দ্রীয় সংস্থা। আইপ্যাক কাণ্ডেও সল্টলেকের অফিস, লাউডন স্ট্রিটে প্রতীকের বাড়ি এবং দিল্লির ৪টি জায়গা-সহ মোট ১০টি ঠিকানায় তল্লাশি চলেছিল।
আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশি চলাকালীনই সেখানে নাটকীয়ভাবে উপস্থিত হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ নথি, হার্ড ডিস্ক এবং নির্বাচন সংক্রান্ত স্পর্শকাতর তথ্য হাতিয়ে নিতেই কেন্দ্রীয় এজেন্সি চেষ্টা চালাচ্ছে।
প্রতীক জৈনকে তাঁর ‘আইটি সেলের ইনচার্জ’ বলে উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এই তল্লাশি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং অসাংবিধানিক। এই ঘটনার প্রতিবাদে তৃণমূল নেত্রী ও দলের অন্য নেতারা প্রতিবাদ মিছিলও করেছিলেন।




