খবর লাইভ : ছত্তিশগড়ের বিজাপুর জেলার ইন্দ্রবতী ন্যাশনাল পার্কে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ৩১ জন সন্দেহভাজন মাওবাদী নিহত হয়েছেন। এছাড়া, দুই জওয়ান শহীদ হয়েছেন এবং আরও দুই জওয়ান আহত হয়েছেন। আহতদের রায়পুরে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। এখনও এলাকায় তল্লাশি অভিযান চলছে।
নিরাপত্তা বাহিনীর সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রবিবার সকালে ৬৫০ জনের একটি যৌথ বাহিনী অভিযান শুরু করে। বিভিন্ন দিক থেকে জঙ্গলে ঢুকে মাওবাদীদের অবস্থান চিহ্নিত করা হয়। তবে, মাওবাদীরা নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি চালাতে শুরু করে। পাল্টা জবাব দেয় বাহিনীও। দীর্ঘক্ষণ গুলির লড়াইয়ের পর ৩১ জন মাওবাদীর দেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতদের মধ্যে ২০ জনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। তবে, একজন মহিলা মাওবাদীর পরিচয় এখনও নিশ্চিত হয়নি। এছাড়া, মাওবাদীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে একে-৪৭, ইনসাস, এসএলআর, .৩০৩ রাইফেল, গ্রেনেড লঞ্চার ও বিস্ফোরক।
এই অভিযানে ২০২৫ সালে ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত মাওবাদীর সংখ্যা বেড়ে ১৬৮-এ দাঁড়িয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই অভিযানের প্রশংসা করেছেন এবং শহীদ জওয়ানদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “নিরাপত্তা বাহিনীর সাহসিকতা ও নিষ্ঠার ফলে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে এই বড় সাফল্য এসেছে।”
ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই এই অভিযানে শহীদ জওয়ানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন এবং বলেছেন, “নকশালবাদ নির্মূলের লক্ষ্যে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
নিরাপত্তা বাহিনীর এই সফল অভিযানে মাওবাদীদের শক্ত ঘাঁটি ধ্বংস হয়েছে এবং তাদের অস্ত্রশস্ত্রের যোগান কমেছে। এটি মাওবাদী দমনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।




