খবর লাইভ : পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচন সংক্রান্ত এসআইআর-এর প্রেক্ষিতে ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ বা তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা প্রকাশ করার কথা ছিল নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে। কিন্তু তা এখনও সম্পূর্ণভাবে সাধারণ জনতার সামনে তুলে দেওয়া হয়নি। গত ১৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট পশ্চিমবঙ্গের ভোটারদের ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ এবং ‘অনম্যাপড’ ভোটারদের নাম গ্রাম পঞ্চায়েত ভবন, ব্লক অফিস ও ওয়ার্ড অফিসে প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছিল।
তবে ১২৬ মিলিয়ন (১.২৬ কোটি) জনর নামের বিশাল তালিকা প্রকাশের লক্ষ্যে নির্ধারিত ২৪ জানুয়ারি দিনটি এসে গেলেও কমিশন সময়মতো তা সব জায়গায় টাঙাতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার-এর ডেলিভারি দেরি হওয়ায় বোথ লেভেল অফিসারদের হাতে তা পৌঁছায়নি, ফলে তালিকাগুলো ডাউনলোড, প্রিন্ট ও প্রদর্শন করার কাজ শুরুর একদিন আগেও সম্পূর্ণ সম্ভব হয়নি।
সূত্রের খবর, শনিবার রাতে দিল্লি থেকে সেই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি এবং অনম্যাপড ভোটারদের তালিকা পশ্চিমবঙ্গের সিও-এর দফতরে পৌঁছেছে। রবিবার থেকে তা সরকারি অফিসগুলোতে টাঙানোর পরিকল্পনা করা হলেও কোথাও কোথাও আগেই তালিকা দেখানো শুরু হওয়ায় কমিশন সেই সম্পর্কে রিপোর্ট চেয়েছে, যা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এই সময়, তৃণমূল কংগ্রেস-এর নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কমিশনকে কঠোর ভাষায় শুধু সময়মতো তালিকা প্রকাশে ব্যর্থতার জন্য তোপ দিয়েছেন, বরং বলেছেন ইসি সুপ্রিম কোর্টের নির্ধারিত সময়সীমা না মেনে কাজ করছে। যা নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপ আরও তীব্র হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, তালিকা সেরে দ্রুত গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস ও ব্লক অফিসে ঝুলিয়ে দেওয়া হবে এবং ভোটাররা নিজেদের তথ্য যাচাইয়ের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি, এই তালিকাতে নাম থাকা ব্যক্তিরা নিজেদের ডকুমেন্ট জমা দিতে বা আপত্তি জানাতে নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে যোগাযোগ করতে পারবেন। এসআইআর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ চলছে এবং কমিশন বলছে যে সকলের কাছে ন্যায্য সুযোগ পৌঁছবে এবং কোনো গোপনীয়তা বা অব্যক্ত কারও সাথেই ছলছুদ করার সুযোগ নেই।




