খবর লাইভ : নন্দীগ্রামে বিজেপি নেতা গ্রেফতার ও তার পরিবারকে হেনস্থার অভিযোগকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়াল। এই ঘটনার প্রতিবাদে নন্দীগ্রাম থানায় গিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আঙুল তুলে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, সিভিল ড্রেসে পুলিশ রাতের অন্ধকারে গিয়ে তাণ্ডব চালিয়েছে। থানার মধ্যেই তিনি ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, চটি পায়ে পুলিশ গিয়ে এই কাজ করেছে। তৃণমূল আর আই-প্যাক পুলিশকে পড়াশোনা করিয়েছে কি না জানি না। এপ্রিলের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আই-প্যাক, কেউই থাকবে না। যা করছেন তার ফল ভোগ করতে হবে।
বিরোধী দলনেতার দাবি, নন্দীগ্রামে বিজেপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা করা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, ৪০০টি মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যানকে দলে যোগ দেওয়ার জন্য আইসি চাপ দিয়েছিলেন। তিনি যোগ না দেওয়ায় পুরনো মামলায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে আমার কাছে তথ্য রয়েছে। শুভেন্দুর আরও অভিযোগ, বিজেপির কার্যকর্তা গৌরাঙ্গ ধাড়াকে ধরতে পুলিশ সিভিল ড্রেসে তাঁর বাড়িতে যায়। তাকে না পেয়ে স্ত্রীকে হেনস্থা করা হয়, যদিও সেখানে কোনও মহিলা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন না বলে অভিযোগ। পরে তার শ্বশুরবাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় সাতজনের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে বলে জানান শুভেন্দু।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, ৪১ ধারার নোটিশ না দিয়ে কেন গ্রেফতার করা হল? ইউনিফর্ম ছাড়া কেন পুলিশ গেল? মহিলা ও শিশুর গায়ে হাত দেওয়া হল কেন? শুভেন্দুর দাবি, থানায় উপস্থিত ডিউটি অফিসার তাঁর অভিযোগ শুনলেও কোনও সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি।
এদিন শুভেন্দু অধিকারী আরও জানান, ফের তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবেন। সোমবার আদালতে যাওয়ার কথা ঘোষণা করে তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে ইতিমধ্যেই ৩৭টি মামলায় স্থগিতাদেশ দিয়েছে আদালত। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পুলিশ কাজ করছে এবং শাসকদলকে খুশি করতেই এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।




