International Special News Special Reports

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বড় আকাশ প্রতিশোধ: পশ্চিম এশিয়ায় হামলায় বহু বিমান ঘাঁটি ধ্বংস

0
(0)

খবর লাইভ : পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন সেনাবাহিনী আবারও সক্রিয়ভাবে হামলা চালিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তে ওই অঞ্চলের পরিস্থিতি আবার উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

গত সপ্তাহে সিরিয়ায় কয়েকজন আমেরিকান নাগরিককে হত্যা করা হয়। তাঁদের দেহ যখন মার্কিন মাটিতে পৌঁছায়, তখনই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিশোধ নেবার কঠোর বার্তা দেন। এই প্রতিশোধের প্রথম ধাপ হিসেবে শুক্রবার রাতে মার্কিন বিমান হামলা চালানো হয়, যা ছিল আইসিস-এর লক্ষ্যস্থলগুলিকে নিশানা করে।

 কী হয়েছে?
মার্কিন সেনাবাহিনী সিরিয়ার মধ্যভাগে আইসিস-এর অন্তত ৭০টিরও বেশি ঘাঁটি ও অস্ত্রভাণ্ডারকে আকাশ থেকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

এই অভিযানকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট “প্রতিশোধমূলক কর্মসূচি” বলে ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেছেন, যারা আমেরিকান নাগরিকদের ওপর হামলা চালাবে, তাদের কাছে “কঠিন পরিণতি” অপেক্ষা করছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষাসচিব পিট হেগসেথ এ হামলাকে এই মুহূর্তে কোনও যুদ্ধের শুরু নয় বলে দাবি করলেও, এটি আইসিস-এর বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবেই ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।

সিরিয়া সরকারও এই হামলাকে সমর্থন করেছে এবং জানিয়েছে, জঙ্গিদের দেশকে আরও দুর্বল করার কোনও ছাড় নেই।

পেছনের প্রেক্ষাপট

সিরিয়ায় এখনও প্রায় ১০০০ মার্কিন জওয়ান রয়েছেন, যারা মূলত সন্ত্রাসবাদবিরোধী অভিযানে লিপ্ত। আইসিস যদিও জোরদার ভৌগলিক দখল হারিয়েছে, তবুও এই সংগঠন আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে এবং নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রাখছে।

এই হামলা পুরো অঞ্চলে নতুন উত্তেজনা ও আশঙ্কা তৈরি করেছে, এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন যে আইসিস-এর মতো গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে লড়াই যতটা কঠিন, ততটাই জটিল কৌশল ও কূটনৈতিক ব্যালেন্স প্রয়োজন।

এখন প্রশ্ন,পশ্চিম এশিয়ায় তবে কি জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সক্রিয় সংঘর্ষে নেমে পড়ল আমেরিকা? ফের কি যুদ্ধ শুরু হতে পারে? সিরিয়ায় হামলার মাধ্যমে কি সেই বার্তাই দিয়ে রাখা হল?

ট্রাম্প সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, সিরিয়ায় আইসিসের শক্ত ঘাঁটিগুলিতে আমরা প্রবল ভাবে হামলা চালাচ্ছি। সিরিয়া রক্তস্নাত, তাদের অনেক সমস্যা রয়েছে। কিন্তু আইসিসকে যদি মুছে ফেলা যায়, এই দেশের ভবিষ্যৎও উজ্জ্বল। সিরিয়ার সরকারের মাথায় আছেন এমন এক জন মানুষ, যিনি দেশের গৌরব পুনরুদ্ধারের সবরকম চেষ্টা করছেন। তিনি মার্কিন হামলাকে সমর্থন করেছেন।’

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *