খবর লাইভ : রাজ্যে নির্বাচনী তদারকি আরও কড়া করতে বুধবার নতুন নিযুক্ত পাঁচ পর্যবেক্ষকের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়াল। কমিশন সূত্রে খবর, বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তও। নবনিযুক্ত পাঁচ পর্যবেক্ষক রাজ্যের পাঁচ ডিভিশন প্রেসিডেন্সি, মেদিনীপুর, বর্ধমান, মালদহ এবং জলপাইগুড়ির প্রস্তুতি ও নথিপত্র খতিয়ে দেখবেন।
এরই মধ্যে বারুইপুর পূর্বের ৯৪ নম্বর বুথে অনিয়মের অভিযোগে দুই বিএলও, ইআরও ও এইআরও, মোট চার জনকে শো-কজ নোটিশ পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাদের কাছ থেকে লিখিত জবাব তলব করা হয়েছে।
অভিযোগ, বুথের প্রথম বিএলও সোমা সেন ছিলেন তৃণমূলের স্থানীয় পদাধিকারী। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কমিশন তাঁকে সরিয়ে দেয়। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, অপসারণের পরেও তিনি বুথের কাজ চালিয়ে গিয়েছেন। নতুন নিযুক্ত বিএলও দেবী হালদারও নাকি তাঁকে কাজ করতে দিয়েছেন। পর্যবেক্ষকেরা দুই বিএলও–র সই মিলিয়ে এই অসঙ্গতি চিহ্নিত করেন। সেই সূত্রেই ইআরও দেবোত্তম দত্ত চৌধুরী এবং সংশ্লিষ্ট এইআরও-র বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, মৃত বা অন্যত্র স্থানান্তরিত ভোটার নেই এমন বুথের সংখ্যা রাজ্যে নেমে দাঁড়িয়েছে মাত্র দুই-এ। জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের তরফে কমিশনে পাঠানো প্রথম তালিকায় এই সংখ্যা ছিল ২,২০৮। স্বাভাবিকভাবেই এত বড় অমিল নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। কমিশন আরও সতর্ক হয়ে রাজ্যের নথিপত্র খতিয়ে দেখার জন্য অতিরিক্ত পাঁচ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে।
এই পরিস্থিতিতেই বারুইপুর বুথে অনিয়মের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে নিয়ে সংশ্লিষ্ট চার আধিকারিককে শো-কজ নোটিশ পাঠাল নির্বাচন কমিশন।




