খবর লাইভ : সম্প্রতি হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও ধর্ম-বিষয়ক হিংসাত্মক রাজনীতি চালানোর অভিযোগে তৃণমূল কংগ্রেস তাঁকে সাসপেন্ড করেছে। গত কয়েকদিন আগে হুমায়ুন ঘোষণা করেছিলেন, ৬ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গায় তিনি বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন এবং তারপর তিনি দল ছাড়বেন। একই সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তিনি বিধায়ক পদ থেকেও ইস্তফা দেবেন।
তবে মঙ্গলবার, ৭ ডিসেম্বর হুমায়ুন একটি নতুন ঘোষণা করেন। প্রথমে যা তিনি বলেছিলেন, তা পরিবর্তন করে বলেছেন, তিনি বিধায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করছেন না। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ভরতপুরের মানুষের কথা ভেবেই তিনি পদত্যাগ করছেন না। হুমায়ুন দাবি করেছেন, ভোট দিয়ে যাঁরা আমাকে নির্বাচিত করেছে, তারা আমাকে আবার ভোট দিয়ে বিধায়ক বানাবে। এর ফলে ব্যক্তিগত মেয়াদ ত্যাগ করতে রাজি নন।
এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজ্য রাজনীতি ও সমাজে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। কারণ, সম্প্রতি তাঁর মসজিদ-নির্মাণ পরিকল্পনা, দল থেকে সাসপেন্ড, দল ত্যাগ এবং নতুন দল গঠনের পরিকল্পনা সবকিছুই কঠোর সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন দেখার, এই নতুন সিদ্ধান্ত মুর্শিদাবাদ ও পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক প্রভাব কতদূর বিস্তার করে।
তিনি তীব্র আক্রমণ শানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বলেন, বাংলায় ৩৭ শতাংশ সংখ্যালঘু আছে। তাদের সিংহভাগের ভোট পেয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন মমতা। খুব অহঙ্কার হয়েছে। চূর্ণ করব আমি। আমি ওঁকে প্রাক্তন করবই।




