খবর লাইভ : নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত বিএলও এবং বিএলএ উভয়কে একটি আলাদা ‘ডিক্লারেশন ফর্ম’ পূরণ এবং সই করতে হবে।
নির্বাচন কমিশন বলেছে, এই ডিক্লারেশন ফর্মে মারফত রিপোর্ট করতে হবে কতজন মৃত ভোটার, কতজন স্থানান্তরিত, কতজনের ফর্ম সংগৃহীত হয়নি বা ডুপ্লিকেট। সব তথ্য স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে। রিপোর্ট জমা দেওয়ার আগে বিএলও এবং বিএলএ-র সম্মিলিত স্বাক্ষর নিশ্চিত করতে হবে।
কমিশন আরও জানিয়েছে, এটি হবে একটি ধরনের হলফনামা। এর ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ভুল তথ্য পাওয়া গেলে বিএলও এবং বিএলএ উভয়কেই শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
তবে কিছু বিএলও-র দাবি, এই নির্দেশ দিয়ে কমিশন দায়ভার পুরোপুরি তাদের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিএলও-দের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়েছে কারণ সব রাজনৈতিক দলের বিএলএ-দের সঙ্গে মিটিং করতে হবে এবং তারপর রেজুলিউশন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত কয়েক দিনের মধ্যে, “অনকালেক্টেবল (গণনায় যোগ্য নয়)” হিসেবে চিহ্নিত তথ্যের সংখ্যা একদিনে প্রায় ৩ লক্ষ বেড়েছে। নিয়োজিত হয়েছে মোট ৫০,২২,৪১০ জন — মৃত, স্থানান্তরিত, নিখোঁজ বা ডুপ্লিকেট হিসেবে শনাক্ত। এর মধ্যে মৃত ভোটার হিসেবে চিহ্নিত ২২,৯২,০০০; স্থানান্তরিত ১৭.৫ লক্ষ; নিখোঁজ ৮ লক্ষ; ডুপ্লিকেট ১.২ লক্ষ বলে কমিশনের রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে। ৯৮.৩৭% ফর্ম ইতিমধ্যে ডিজিটাইজড হয়েছে।




