চলতি বছরের এপ্রিলে পহেলগাঁও হামলার পর থেকেই ভারত ও পাকিস্তান পরস্পরের আকাশসীমা বন্ধ রেখেছে। কিন্তু শ্রীলঙ্কায় ত্রাণ পাঠানোর জন্য ভারতের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছিল পাকিস্তান। এরপরই অভিযোগ ওঠে, ত্রাণ পাঠাতে বাধা দিচ্ছে ভারত। আকাশসীমায় ত্রাণবহনকারী বিমানটিকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে দাবি করা হয় পাক বিদেশমন্ত্রকের তরফে। এপ্রসঙ্গেই মঙ্গলবার ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘আমরা পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রকের হাস্যকর বিবৃতি খারিজ করছি। এটি ভারতবিরোধী ভুল তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার আর একটি প্রচেষ্টা।’
পাকিস্তানের অভিযোগ অস্বীকার করে পালটা নয়াদিল্লি জানিয়েছে, গত ১ ডিসেম্বর দুপুর ১টা নাগাদ শ্রীলঙ্কায় ত্রাণ পাঠানোর জন্য পাক বিমানকে ভারতের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি চাওয়া হয়। আর কয়েক ঘণ্টা পর বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদই অনুমতি দিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে সাফ জানানো হয়েছে। আর এই সিদ্ধান্তকে ‘সম্পূর্ণ মানবিক’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
যদিও শ্রীলঙ্কায় ত্রাণ পাঠিয়েও সমালোচনার মুখে পড়েছে পাকিস্তান। অভিযোগ, শ্রীলঙ্কায় মেয়াদ উত্তীর্ণ ত্রাণসামগ্রী পাঠানো হয়েছে পাকিস্তানের তরফে। শ্রীলঙ্কায় অবস্থিত পাকিস্তানের দূতাবাসের এক হ্যান্ডেলে ত্রাণসামগ্রী পাঠানোর বিষয়টি উল্লেখ করে ছবি পোস্ট করা হয়েছিল। এরপরই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের চোখে পড়ে যে, বেশ কয়েকটি প্যাকেটে লেখা রয়েছে ‘EXP: 10/2024’। অর্থাৎ ওই সংশ্লিষ্ট সামগ্রীর মেয়াদ ২০২৪ সালের অক্টোবরেই শেষ হয়ে গিয়েছে। লেবেলগুলি পরীক্ষা না করেই কেন শ্রীলঙ্কায় সামগ্রীগুলি পাঠানো হল, তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা প্রশ্ন তুলেছেন।




