খবর লাইভ : বিহারেযৌথ সাংবাদিক বৈঠকে ঘোষণা করা হয়েছে, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবকে নির্বাচনের ‘মুখ্যমন্ত্রী মুখ’ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপে জোটের মধ্যে ঐকমত্যের বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
পাটনা থেকে অনুষ্ঠিত ওই সাংবাদিক বৈঠকে জোটের বিভিন্ন দল থেকে নেতারা উপস্থিত ছিলেন। কংগ্রেস হাইকমান্ডের দূত অশোক গেহলট তেজস্বীর নাম ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, “তেজস্বী তরুণ, কর্মক্ষম ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নেতা। এই কারণে তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী পদের মুখ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।”
বিতর্ক ও দ্বন্দ্বের ছায়া
জোটের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে কিছু বিতর্ক ছিল। বিহারের তিনটি আসনে আরজেডি এবং কংগ্রেস উভয়ই প্রার্থী রেখেছে। জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই আসনগুলোতে ‘বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা’ হবে। তবে বিজেপি ও জেডিইউ ইতিমধ্যেই এই পদক্ষেপকে নির্বাচনী কৌশল হিসেবে তুলে ধরেছে। সাংবাদিক বৈঠকের মঞ্চেও শুধুমাত্র তেজস্বীর ছবি ব্যবহৃত হয়েছে, অন্য দলের নেতাদের ছবি ছিল না। এই বিষয়টিও রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করেছে।
তেজস্বীকে মুখ্যমন্ত্রী পদের মুখ হিসেবে ঘোষণা করার পাশাপাশি উপমুখ্যমন্ত্রী পদের সম্ভাব্য মুখ হিসেবে বিকাশশীল ইনসান পার্টির প্রধান মুকেশ সাহানকেও নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
বিরোধী জোট এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ঐকমত্য ও একতাবদ্ধতার বার্তা দিতে চাইছে। জোটের নেতারা বলছেন, এই উদ্যোগে প্রমাণ হয় যে দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা রয়েছে এবং তারা বিহারের শাসনকে পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়েছে।
বিজেপি ও জেডিইউ এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক চক্রান্ত হিসেবে দেখলেও, জোটের পক্ষ মনে করছে, তেজস্বীর যুবশক্তি ও নেতৃত্বের প্রমাণ আগামী নির্বাচনে ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণ করবে।
বিহারের নির্বাচনে তেজস্বী যাদবকে মুখ্যমন্ত্রী পদের মুখ হিসেবে ঘোষণা<span;> করায় বিরোধী জোটের মধ্যে একতা ও কৌশলগত সমন্বয় স্পষ্ট হয়েছে।




