খবর লাইভ : আলিপুরের বিদ্যাসাগর কলোনিতে এক ১১ বছরের কিশোরীর রহস্যমৃত্যু ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। রবিবার রাতে বাড়ির আলমারির ভেতর থেকে কিশোরীটিকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় উদ্ধার করে পরিবার। সঙ্গে সঙ্গে তাকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও, চিকিৎসকরা শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচাতে পারেননি। চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মৃত্যু হয় ওই নাবালিকার।
প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলে মনে করলেও, ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি এবং মৃত্যুর ধরন নিয়ে দেখা দিয়েছে একাধিক প্রশ্ন। আলমারির ভেতর থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তদন্তকারীরা। ফলে আত্মহত্যা না খুন — এই প্রশ্ন ঘিরেই এখন ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত কিশোরী সম্পর্কে আরজিকর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সাজাপ্রাপ্ত সঞ্জয় রায়ের ভাগ্নি। জানা গিয়েছে, সঞ্জয় রায়ের বড় দিদির আগেই মৃত্যু হয়েছে। পরে সঞ্জয়ের ছোট বোন জামাইবাবুকে বিয়ে করেন। বর্তমানে তারা একসঙ্গেই থাকতেন, এবং সেই বাড়িতেই থাকত কিশোরীটি। পারিবারিক এই জটিল সম্পর্কের মধ্যেই এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটায়, রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।
ঘটনার রাতে বাড়ির অন্যান্য সদস্যরা বাড়িতেই ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তবে কেউ কীভাবে বা কখন কিশোরীকে ওই অবস্থায় দেখতে পান, তা নিয়েও চলছে প্রশ্ন। পরিবারের তরফে এখনো পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি, তবে পুলিশ নিজ উদ্যোগে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে।




