District Special News Special Reports State

Bogtui Case: সিবিআইয়ের ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ নাজিমার মৃত্যুকালীন জবানবন্দি, বগটুই কাণ্ডে চাপে অভিযুক্তরা

0
(0)

খবর লাইভ : বগটুই-কাণ্ড এর দগদগে ঘা এখনও শুকোয়নি। রাজ্য সরকার সিট গঠন করেছে, কিন্তু আদালতের নির্দেশে শুরু হয়েছে সিবিআই তদন্ত। আর সেই তদন্তে বড় মোড় আসতে চলেছে এক মৃত্যুপথযাত্রীর বয়ান। যা ইতিমধ্যেই রেকর্ড করেছেন সিবিআইয়ের কর্তারা। তিনি এই ঘটনায় সদ্য প্রয়াত নাজিমা বিবি। মৃত্যুর আগে দেওয়া তার এই বয়ান আসল সত্যকে সামনে আনতে চলেছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রের খবর।

আরও পড়ুন– Chocolate: ধাপার মাঠের গুদামে উদ্ধার ১০ টন মেয়াদ-উত্তীর্ণ চকোলেট! ধৃত ৬

পঁয়ষট্টি শতাংশ অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে টানা সাত দিনের পাঞ্জা কষাকষি শেষ হয়েছে সোমবার দুপুরে। তবে সিবিআইয়ের বক্তব্য, মৃত্যুর আগে তাদের হাতে ব্রহ্মাস্ত্র তুলে দিয়ে গিয়েছেন রামপুরহাটের বগটুই গ্রামের নাজিমা বিবি। তিনি মৃত্যুকালীন জবানবন্দিতে এমন কিছু তথ্য দিয়ে গিয়েছেন, যা অভিযুক্তদের কঠিন সাজার সামনে দাঁড় করিয়ে দিতে পারে ।

সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, চিকিৎসক এবং নাজিমার স্বামী শেখলাল শেখের উপস্থিতিতে ওই মহিলার মৃত্যুকালীন জবানবন্দি (আইনের ভাষায় ‘ডাইং ডিক্লেয়ারেশন’) গ্রহণ করা হয়েছে। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে মামলার তদন্তভার নিয়ে সিবিআইয়ের ডিআইজি অখিলেশ সিংহের নেতৃত্বে তদন্তকারী দলটি যখন রামপুরহাট হাসপাতালে বগটুই কাণ্ডে অন্য আহতদের বয়ান নথিভুক্ত করছিলেন, তখনই কর্তব্যরত চিকিৎসকের উপস্থিতিতে নাজিমার বয়ান নথিভুক্ত করা হয়। এক বার নয়, বার বার।

সিবিআইয়ের একটি সূত্র জানাচ্ছে, ২৫ মার্চ, শুক্রবার থেকে প্রতিদিন কোনও না-কোনও সময়ে তদন্তকারী অফিসারেরা ওই মহিলার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে যেতেন এবং চিকিৎসকের উপস্থিতিতে তাঁর বয়ান নথিভুক্ত করতেন।

সিবিআইয়ের দাবি, ২১ মার্চ রাতে তাঁদের উপরে ঠিক কী ধরনের হামলা হয়েছিল, কারা চড়াও হয়েছিল বাড়িতে, তাদের চেহারা কী রকম—দগ্ধক্ষতের যন্ত্রণার মধ্যেই ধীরে ধীরে তদন্তকারীদের তা জানিয়েছিলেন নাজিমা। এক-এক বার নাজিমার বয়ান নেওয়া হয়েছে এবং তা সরেজমিনে মিলিয়ে দেখতে তাঁর বাড়ি গিয়েছেন তদন্তকারীরা। নাজিমার স্বামী শেখলালের বয়ানও লিপিবদ্ধ করা হয়। সেই বয়ান থেকে জানা গিয়েছে, হামলার সময় শেখলাল প্রাণভয়ে পাশের একটি গ্রামে আশ্রয় নিয়েছিলেন। বগটুইয়ের এক মহিলা ও যুবক নাজিমাকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দেন।

কী বলছেন আইনজীবীরা? তাদের বক্তব্য, মৃত্যুকালীন জবানবন্দিকে যে-কোনও মামলাতেই সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী সাক্ষ্যপ্রমাণ হিসেবে গণ্য করা হয়। আইন অনুযায়ী কোনও মৃত্যুপথযাত্রী ব্যক্তি সাধারণত মিথ্যা কথা বলেন না। তিনি যখন বুঝতে পারেন যে, তাঁর মৃত্যু আসন্ন, তখন মিথ্যা তথ্য দেন না।

তাই এখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা। সত্যিই কি আসল সত্য প্রকাশ্যে আসবে? এটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *