খবর লাইভ : দুর্গাপুরের বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে ভিনরাজ্যের এক ছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় উত্তাল রাজ্য। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার অবনতির অভিযেগা তুলে দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ বিজেপির। সিটি সেন্টারের সামনে বিজেপিকে ধর্না মঞ্চ বাঁধতে বাধা দেয় পুলিশ। তা নিয়েই বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে তুমুল তর্কাতর্কি শুরু হয়ে যায় পুলিশকর্তাদের। পরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দুর্গাপুরে সিটি সেন্টারের সামনে সেই অস্থায়ী ধর্না মঞ্চে গিয়ে রাজ্য প্রশাসনের কড়া সমালোচনা করেন। পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তাঁর বার্তা, “ধর্ণা চলবে, ক্ষমতা থাকলে ভাঙবেন।”
সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী জানান, নির্যাতিতাকে এ রাজ্যে রাখতে রাজি নয় পরিবার। নির্যাতিতার চিকিৎসা নিয়েও আমরা উদ্বিগ্ন। তিনি বলেন, চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলতে চেয়েছিলাম আমরা, কিন্তু চিকিৎসকদের মুখ খুলতে বারণ করা হয়েছে। কারণ মুখ খুললেই চাকরি যাওয়ার আশঙ্কা থাকছে।
রবিবার নির্যাতিতার বাবা-মা ওড়িশা থেকে দুর্গাপুরে এসে পৌঁছেছেন। হাসপাতালে মেয়ের পাশে থেকে সংবাদমাধ্যমে তরুণীর বাবা বলেন, আমি পশ্চিমবঙ্গে নিরাপদ বোধ করছি না। মেয়েকে নিয়ে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাড়ি ফিরতে চাই।
রবিবার রাতে গণধর্ষণের ঘটনায় দুর্গাপুর পুরনিগমের অস্থায়ী এক কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ফলে মোট ধৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চার। পুলিশ জানিয়েছে, এখনও এক অভিযুক্ত অধরা। তাঁর সন্ধানে জোরদার তল্লাশি চলছে। সোমবার ধৃতকে দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে তোলা হবে।
এদিন শুভেন্দু বলেন, মূল অভিযুক্ত শেখ নাসিরউদ্দিন তৃণমূলের ক্যাডার। এখনও তাকে গ্রেফতার করা যায়নি। পুলিশের উচিত দ্রুত তাঁকে ধরা।




