খবর লাইভ : এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নিয়ে ফের শুরু ধরপাকড়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর একটি টিম সোমবার সকালে তল্লাশি চালায় মুর্শিদাবাদের আন্দির বড়ঞার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার বাড়িতে। সূত্রের খবর, এ ছাড়াও বীরভূমের সাঁইথিয়ায় ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার মায়া সাহার বাড়িতেও গিয়েছেন তদন্তকারীরা। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে মায়া জীবনকৃষ্ণের পিসি। অতীতে নিয়োগ মামলায় সিবিআই-এর স্ক্যানারে ছিলেন এই বিধায়ক। তাঁকে গ্রেপ্তারও করেছিল সিবিআই। আপাতত তিনি জামিনে মুক্ত।
সোমবার যখন তদন্তকারীরা জীবনকৃষ্ণের বাড়িতে পৌঁছন, সেই সময় তাদের আসার আভাস আগেই পেয়ে বাড়ির পিছনের অংশে চলে গিয়েছিলেন তিনি। তবে ফের কোনও ‘নাটকীয়’ কিছু ঘটার আগেই তাঁকে ঘরে টেনে আনেন ইডি আধিকারিকরা। এর আগেও ২০২৩ সালে যখন বিধায়কের কান্দির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল সিবিআই। সেই সময় তল্লাশির ফাঁকেই তার ব্যবহার করা দু’টি ফোন বাড়ির পিছনে পুকুরের জলে ফেলে দিয়েছিলেন জীবনকৃষ্ণ। অবশ্য এই কাণ্ড ঘটিয়ে রেহাই পাননি তিনি।
এদিন বড়ঞার বিধায়কের বাড়ি ছাড়াও সাঁইথিয়ায় ৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মায়া সাহার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। অনুমান, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এই তৃণমূল কাউন্সিলরও জড়িত। যিনি আবার সম্পর্কে জীবনকৃষ্ণের পিসি। এছাড়াও, তল্লাশি চালানো হয়েছে মুর্শিদাবাদেরই রঘুনাথগঞ্জে স্থিত জীবনকৃষ্ণের শ্বশুরবাড়িতেও। তল্লাশি চলেছে বড়ঞার এক ব্যাঙ্ক কর্মীর বাড়িতেও। অবশ্য, ইডির একটি প্রতিনিধি দল যখন মুর্শিদাবাদে হানা দিয়েছে, ওই সময় আরও একটি দল পৌঁছে যায় পুরুলিয়ায় দুর্নীতি মামলায় জড়িত প্রসন্ন রায়ের শ্বশুরবাড়িতে।




