খবর লাইভ : ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরছে মুর্শিদাবাদ। অশান্তি বিধ্বস্ত সুতি, সামশেরগঞ্জ, ধুলিয়ান এলাকায় নতুন করে আর অশান্তির খবর আসেনি। নববর্ষের সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকায় দোকানপাট খুলতে শুরু করেছে। চলছে গাড়িও। কাজে বেরিয়েছে সাধারণ মানুষ। যদিও এলাকায় রুটমার্চ করছে সিআরপিএফ, বিএসএফ, পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করছে বিএসএফ-ও।
গত রবিবার থেকে নতুন করে আর কোনও অশান্তি ছড়ায়নি। ওইসব এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ আছে। গুরুত্ব বুঝে পার্শ্ববর্তী মালদহ এবং বীরভূম জেলার একাধিক জায়গায় মঙ্গলবার পর্যন্ত ইন্টারনেট বন্ধ করে রাখা হয়েছিল। বুধবার থেকে ফের তার চালু করা হয়েছে। ধুলিয়ান থেকে বৈষ্ণবনগরের দিকে চলে যাওয়া ঘরছাড়া ১৯টি পরিবারকে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে।
অশান্তির আবহে যাতে ভুয়ো এবং উস্কানিমূলক বার্তা ছড়াতে না পারে, সেই কারণে জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার একটা বড় অংশে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ ছিল। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতেই সামশেরগঞ্জ বাদে জেলার বাকি অংশে ইন্টারনেট পরিষেবা চালু হয়েছে। তবে এখনই ১৬৩ ধারা উঠছে না। আপাতত বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১৬৩ ধারা বলবৎ থাকবে।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার সুতি এবং ধুলিয়ান এলাকা অনেকটাই স্বাভাবিক ছন্দে। নতুন করে হিংসার খবর না থাকায় শিথিল হয়েছে সরকারি বিধিনিষেধ। তবে শমসেরগঞ্জ থানা এলাকার বেশ কিছু জায়গায় অশান্তির আশঙ্কা থাকায় এখনও বন্ধ রাখা হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। মোট ১৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে হিংসাকবলিত এলাকা। জঙ্গিপুর মহকুমা সংলগ্ন নবগ্রাম এবং লালগোলা থানা এলাকায় টহল দিচ্ছে নিরাপত্তাবাহিনী। বেলডাঙা, শক্তিপুর, রেজিনগর, কান্দি এবং নওদা এলাকায় বাড়তি পুলিশও মোতায়েন করা হয়েছে।




