Special News Special Reports State

স্কুলের পর এবার কবরস্থানেরও জমি দিলেন খানাকুলের সাকিম

0
(0)

খবর লাইভ : জীবে প্রেম করে যেই জন সেই জন সেবিছে ঈশ্বর। প্রবাদ বাক্যটি অক্ষরে অক্ষরে পালন করার লোক বর্তমান সমাজে নেই বললেই চলে। তবে কিছু কিছু চরিত্র এখনও রয়েছেন যাঁরা এখনও মানব প্রেমে নিজেদের মেলে ধরার চেষ্টা করেন। যার মধ্যে একজন হুগলির খানাকুলের বাসিন্দা শেখ সাকিম।

খানাকুল এবং পুরশুড়ার মানুষের একাংশের কাছে শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা সাকিমই ভরসা হয়ে উঠেছে। প্রশ্ন উঠতে পারে কেন? আসলে বছর ৩৬ এর এই যুবক যা উপায় করেন তার পুরোটাই প্রায় জনগণের সেবার্থে খরচ করে থাকেন। তা সে করোনার সময় মানুষকে চাল, ডাল বা শুকনো খাবার বিলিই হোক আর দুর্গা পুজো বা ঈদে বস্ত্রদানই হোক, খানাকুল এলাকার মানুষের কাছে সাক্ষাৎ মসিহা যেন এই যুবক। সম্প্রতি বর্ষাই ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়তে হয়েছে খানাকুলের মানুষকে। ত্রাণ বিলি নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেখা গিয়েছিল সেই সময়। তবে তখন নৌকোর মাধ্যমে বহু মানুষকে ত্রিপল, শুকনো খাবার, পোশাক তুলে দিতে দেখা গিয়েছিল সাকিমকে। তবে তার পরেও মানুষ সেবা করে যাচ্ছেন নিঃস্বার্থে। সম্প্রতি পুরশুড়ার বালিপুরের দ ধারে চরম অস্বস্তির মধ্যে পড়েন সেখানকার মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ। ওই এলাকায় কবরস্থান ছোট হওয়ায় মানুষকে সমাধি করতে সমস্যা হচ্ছিল। সেই সমস্যার সমাধানে সাকিম তাঁর একটি জমি দান করেন। ১০ কাঠা ওই জমিতেই বর্তমানে ওই এলাকার লোকজন মৃত মানুষকে কবর দিচ্ছেন। বালিপুর এলাকার বাসিন্দা শেখ ইসমাইল বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই ওই যুবক মানুষের সেবা করছেন। আমরা প্রত্যেকেই উপকৃত। জাত, ধর্ম উনি দেখেন না।’
মানুষের সেবা করে গেলেও সাকিম অবশ্য কৃতিত্ব নিতে নারাজ। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধি হিসেবে পরিচয় দিলে তিনি বলেন, ‘মিডিয়াকে কিছু বলবো না। জনগণের পাশে থাকলে সেটা নিয়ে প্রচার করা উচিত নয়।’

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *