খবর লাইভ : তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড করা হল প্রাক্তন সাংসদ শান্তনু সেনকে। একইসঙ্গে সাসপেন্ড করা হয়েছে ভাঙড়ের তাজা নেতা আরাবুল ইসলামকেও। শুক্রবার তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ওই দুজনকে সাসপেন্ডের কথা ঘোষণা করা হয়।
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই একটি অপরাধের মামলায় গ্রেফতার হন আরাবুল। জেল থেকে বেরনোর পর তাঁকে ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক তথা ভাঙড়ের পর্যবেক্ষক শওকত মোল্লার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করতে শোনা যায়। এমনকি তাঁর গ্রেফতারির জন্য শওকতকেই দায়ী করেন। ১ জানুয়ারি দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের দিন দলীয় পতাকা উত্তোলন করতে গেলে আরাবুল আক্রান্ত হন। একদা মহিলা অধ্যাপককে জগ ছুঁড়ে মারায় অভিযুক্ত আরবুলকে জগ ছুঁড়ে ওইদিন মারাও হয় বলে অভিযোগ। তারপর শওকতের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করতে থাকেন ভাঙড়ের তাজা নেতা। যার পর থেকে দলে ক্রমশ কোণঠাসা হতে থাকেন আরাবুল। সেই কারণেই দল তাঁকে সাসপেন্ড করল বলে মনে করা হচ্ছে। আরাবুলকে ফোন করা হলে তিনি কোনও উত্তর দেননি।
অন্যদিকে, আরজি করে মহিলা চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় মুখ খুলেছিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ তথা চিকিৎসক নেতা শান্তনু। যা নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়ে দল। দল বিরোধী কথা বলতেও শোনা যায় তাঁর মুখ থেকে। তারপর থেকেই দলের সঙ্গে শান্তনুর দূরত্ব তৈরি হয়। দলের বিরুদ্ধে মুখ খোলাতেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হল বলে মনে করা হচ্ছে। শান্তনু বলেন, ‘কী কারণে দল তাঁকে সাসপেন্ড করেছে তা জানি না।’




