Special News Special Reports State

আরজিকরে তরুণী চিকিৎসকের অর্ধ নগ্ন মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে কর্মবিরতিতে চিকিৎসকরা,তদন্তে খোদ কলকাতার পুলিশ কমিশনার 

0
(0)

খবর লাইভ : তরুণী চিকিৎসকের অর্ধ নগ্ন মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে উত্তাল আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ। চিকিৎসকের মৃত্যুর প্রতিবাদে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে হাসপাতালের রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন। তারা জানিয়েছেন, বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে তদন্ত-সহ তাঁদের বাকি দাবি মানতে হবে। যতক্ষণ সেই দাবি না মানা হবে , তত ক্ষণ বন্ধ থাকবে কাজ। যার নিট ফল, শুধুমাত্র হাসপাতালের জরুরি বিভাগ খোলা আছে। বাকি সব বিভাগে পরিষেবা বন্ধ। হাসপাতালের ভিতরে বিক্ষোভ দেখায় চিকিৎসকদের বিভিন্ন সংগঠন। তারা ময়নাতদন্তের জন্য চিকিৎসকের দেহ নিয়ে যেতে বাধা দেয় বলে অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত তাঁর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

হাসপাতালের সুপার ‘সত্য প্রকাশ্যে’ আনার দাবি তুলেছেন। শেষ পর্যন্ত ঘটনার তদন্তে গিয়েছেন খোদ কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল। হাসপাতালে পৌঁছেছেন রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম। এই আবহে হাসপাতালের বাইরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে বিজেপি এবং বাম সংগঠন এআইডিএসও। এই বিক্ষোভের জেরে বিঘ্নিত চিকিৎসা পরিষেবা। অলুবিদায় পড়েছেন বহু রোগী এবং তাঁদের পরিবার।

ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার সকালে। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি বিল্ডিংয়ের চারতলার সেমিনার হল থেকে এক তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। অভিযোগ উঠেছে, তাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। হাসপাতালের ভিতরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তার এবং চিকিৎসকদের বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যেরা। চার তলার যে সেমিনার হলে চিকিৎসকের দেহ রাখা রয়েছে, সেখানে জড়ো হন ডাক্তারি পড়ুয়ারা। মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষও সেখানে উপস্থিত হন। হাসপাতালের সুপার সঞ্জয় বশিষ্ঠ বলেন, পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে তদন্ত হবে। চিকিৎসকের দেহের ময়নাতদন্ত হবে। সেই ময়নাতদন্ত করার ভিডিয়োগ্রাফি করা হবে। আমরাও চাই, সত্য প্রকাশ্যে আসুক।

তিনি আরও বলেন, এই ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক। পুলিশ রয়েছে, ফরেন্সিক দল রয়েছে। তদন্ত চলছে। মন্তব্য করা যাবে না। তদন্ত চলছে। অন্য দিকে, ছাত্রীর মৃত্যুর প্রতিবাদে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তারেরা। হাসপাতালে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিচার বিভাগীয় তদন্ত-সহ একাধিক দাবি জানানো হয়েছে। রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য আরিফ আহমেদ লস্কর জানিয়েছেন, চিকিৎসকের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে তদন্ত করাতে হবে। ময়নাতদন্তের সময় উপস্থিত থাকবেন পাঁচ জন জুনিয়র মহিলা চিকিৎসক, পরিবারের সদস্য, বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট। ময়নাতদন্তের ভিডিয়োগ্রাফি করাতে হবে। আরজি করেই ময়নাতদন্ত করাতে হবে। এখনই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে তদন্ত কমিটি তৈরি করতে হবে। এই দাবি নিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *