National Special News Special Reports

সন্দেশখালির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর সততা নিয়ে প্রশ্ন তুলল তৃণমূল

0
(0)

খবর লাইভ : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সততা নিয়ে প্রশ্ন তুলল তৃণমূল। সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিয়ো দেখিয়ে তারা জানতে চাইল প্রধানমন্ত্রী মোদি কি আগে থেকেই এ ব্যাপারে জানতেন? সে ক্ষেত্রে ভোটের প্রচারে বাংলায় এসে কি তিনি জেনেশুনে অসত্য ভাষণ করছেন? শনিবার, ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োয় সন্দেশখালি ২-এর বিজেপি মণ্ডল সভাপতি গঙ্গাধর কয়ালকে বলতে শোনা যায়, সন্দেশখালিতে কোনও ধর্ষণ হয়নি। আন্দোলনের গোটাটাই ‘সাজানো’। আর সেই ‘সাজানো আন্দোলন’ চালিয়ে যেতে তাঁদের সাহায্য করেছেন বাংলার বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

আরও পড়ুনঃ ভোটের প্রচারে গ্রামবাসীদের ক্ষোভের মুখে পড়লেন জয়নগরের তৃণমূলের বিদায়ী সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল

যদিও গঙ্গাধর দাবি করেন, ওই ভাইরাল ভিডিয়োয় তাঁকে দেখা গেলেও তাঁর স্বর উচ্চমানের প্রযুক্তি দিয়ে বিকৃতি করা হয়েছে। কিন্তু তৃণমূলের বক্তব্য, তাই যদি হবে তবে এই বক্তব্য সঠিক নয় তা প্রমাণ করে দেখাক বিজেপি। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ওই ভিডিয়ো দেখিয়ে একটি সাংবাদিক বৈঠকে আক্রমণ করেন বিজেপিকে। বলেন, ভোটে জেতার জন্য বাংলার মহিলাদের সম্মান নষ্ট করেছে বিজেপি। পদ্মের দিল্লির নেতাদের উচিত বাংলাকে কলুষিত করার জন্য ক্ষমা চাওয়া।
এরপরই রবিবার রাজধানী দিল্লিতে একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন তৃণমূলের মুখপাত্র তথা মন্ত্রী শশী পাঁজা এবং তৃণমূলের দুই রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষ এবং সাকেত গোখলে। সেখানেই তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি সন্দেশখালির ভিডিয়োকাণ্ডে দেশের নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। শশী বলেন, সন্দেশখালির ওই ভিডিয়োয় স্পষ্ট, মহিলাদের শেখানো হয়েছে ধর্ষণের অভিযোগ কী করে বলত হবে। কয়েক হাজার টাকার বিনিময়ে তাঁদের বিপথে চালিত করা হয়েছে। আর দিল্লি থেকে নেতারা এসে বাংলার বদনাম করেছেন।সাগরিকা প্রশ্ন তোলেন, আমাদের মনে হচ্ছে এর সঙ্গে জাতীয় বিজেপি নেতারাও জড়িত। প্রধানমন্ত্রী নিজে গিয়ে সন্দেশখালি নিয়ে কথা বলেছেন। উনি কি জানতেন সন্দেশখালিতে আসলে কী হয়েছে? তা হলে কি প্রধানমন্ত্রী জেনেই মিথ্যা কথা বলেছেন?সাকেত প্রশ্ন তুলেছেন, সন্দেশখালি নিয়ে গোটা দেশে ঢিঢি পড়ে গিয়েছিল। রোজ সেখানে কেন্দ্রীয় নানা কমিশন গিয়েছে। মানবাধিকার কমিশন থেকে শুরু করে আদিবাসীদের অধিকার রক্ষার কমিশন, জাতীয় মহিলা কমিশনও। ভোটের সময় বাংলার নানা ঘটনা নিয়ে নির্বাচন কমিশনও সক্রিয়। অথচ এই ভিডিয়ো প্রকাশিত হওয়ার পরে ১৮ ঘণ্টা কেটে গেল, কমিশন কোনও পদক্ষেপ করেছে কি? না করলে কেন পদক্ষেপ করা হয়নি?

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *