খবর লাইভ : রাজ্যের প্রশাসনিক ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে গণনাকেন্দ্রে কারচুপি করতে পারেন তাঁরা। ব্যারাকপুর থেকে নির্বাচিত তৃণমূলের বিধায়ক এবং পুরসভার চেয়ারম্যান গণনাকেন্দ্রে ঢুকে প্রভাব খাটাতে পারেন বলেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিদায়ী সাংসদ অর্জুন সিং। তাঁর দাবি, কাউন্টিং এজেন্ট ছাড়া আর কেউ যাতে গণনাকেন্দ্রে ঢুকতে না পারেন, তা সুনিশ্চিত করতে হবে কমিশনকে। ব্যারাকপুরের রাজনীতিতে পার্থ ভৌমিক, সোমনাথ শ্যামের সঙ্গে তাঁর দ্বন্দ্বের কথা কারও অজানা নয়। বাংলার রাজনীতির কারবারিদের মতে, চিঠিতে নাম না করে শাসকদলের সেই নেতাদের দিকে ইঙ্গিত করেছেন তিনি।
ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের গণনা হবে রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ কলেজে। এখানে আগে থেকেই তৃণমূল নেতারা গোলমাল পাকানোর যাবতীয় প্রস্তুতি রাখবেন বলে ওই চিঠিতে দাবি করেছেন অর্জুন।
বুধবার ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক রাকেশ কুমার প্রজাপতিকে চিঠি দিয়েছেন তিনি। বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ, এসডিও এবং বিডিয়ো স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে গণনার দিন গন্ডগোল পাকাতে পারেন।অর্জুন লিখেছেন, স্থানীয় বিধায়ক পুরসভার চেয়ারম্যান এবং কাউন্সিলর নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে গণনাকেন্দ্রে গোলমাল করবেন বলে পরিকল্পনা করেছে তৃণমূল। গোপন সূত্র থেকে তিনি শাসকদলের এই পরিকল্পনার কথা জানতে পেরেছেন বলে দাবি করেছেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিট না পেয়ে বিজেপি প্রার্থী হয়ে ব্যারাকপুরে ভোটের লড়াই করেছিলেন অর্জুন। সাড়ে ১৪ হাজার ভোটে তৃণমূল প্রার্থী দীনেশ ত্রিবেদীকে হারিয়ে জয়ী হন তিনি। কিন্তু ২০২২ সালের মে মাসে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেন। তাঁর প্রত্যাশা ছিল, এ বারের লোকসভা নির্বাচনে ব্যারাকপুর থেকে তাঁকে প্রার্থী করবে তৃণমূল। কিন্তু ১০ মার্চ ব্রিগেড মঞ্চে বসেই ব্যারাকপুর কেন্দ্রের প্রার্থী হিসাবে সেচমন্ত্রী পার্থের নাম শোনেন তিনি। এর পর দিল্লিতে গিয়ে ফের বিজেপিতে যোগদান করে আবারও ব্যারাকপুরের মানুষের কাছে ভোট চেয়েছেন অর্জুন।




