International Special News Special Reports

কেন শত্রু দেশে তৈরি কপ্টারে চড়েছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট রইসি?উঠছে নানা প্রশ্ন

0
(0)

খবর লাইভ  :  কপ্টার ভেঙে মৃত্যু হয়েছে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রইসির। মারা গিয়েছেন চপারে রইসির সহযাত্রী তথা সে দেশের বিদেশমন্ত্রী হোসেন আমিরাবদোল্লাহিয়ানও।রবিবার উত্তর-পশ্চিম ইরানের পূর্ব আজ়ারবাইজান প্রদেশের পর্বতঘেরা অঞ্চলে ধাক্কা খেয়ে ভেঙে পড়ে রইসির কপ্টার। সেই সময় দুর্ঘটনাস্থলে ভারী বৃষ্টি এবং ঘন কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা খুব কম ছিল বলেও জানা যায়।ওই দুর্ঘটনার পর থেকেই যে প্রশ্নগুলি উঠছে, সেগুলি হল, কী ধরনের কপ্টারে চেপে সফর করছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক নেতা? কারা এই কপ্টারের নির্মাতা? ইরান বাদে আর কোন দেশ এই কপ্টার ব্যবহার করেছে বা করে?

যে কপ্টারে সওয়ার হয়েছিলেন রইসি, সেটি ‘বেল’ নামেই পরিচিত। বর্তমানে অবশ্য এই কপ্টারগুলিকে অনেক আধুনিক এবং সময়োপযোগী করে তোলা হয়েছে। নতুন নাম দেওয়া হয়েছে ‘বেল টেক্সট্রন’।এই কপ্টারটি তৈরি করে টেক্সট্রন শিল্পগোষ্ঠী। সংস্থাটির সদর দফতর আমেরিকার রোড আইল্যান্ডে। ইউটিলিটি হেলিকপ্টার (ইউএইচ) হিসাবে বিশেষ পরিচিতি রয়েছে এটির।ষাটের দশকের শেষ দিকে ইউএইচ-১ গোষ্ঠীভুক্ত ইরোকুইস হেলিকপ্টারের মানোন্নয়ন করে তৈরি করা হয় বেল কপ্টার। প্রথমে কানাডার সেনাবাহিনী সামরিক কাজে ব্যবহার করত এটি। পরে আমেরিকাও এটির ব্যবহার শুরু করে।আমেরিকার সংস্থা এই কপ্টারের নির্মাতা হলেও এটি প্রথম ব্যবহৃত হয় কানাডায়। বর্তমানে এই কপ্টারটির যে গোত্র ব্যবহৃত হয়, তাতে একের পরিবর্তে রয়েছে দু’টি ইঞ্জিন। ফলে কপ্টারটির বহনক্ষমতা বেড়েছে।

যদিও ইরানে য‌ে বেল ২১২ কপ্টারগুলি ব্যবহৃত হয়, সেগুলি বেশ পুরনো। ইরানের অধিকাংশ বিমান কিংবা হেলিকপ্টারই পুরনো আমলের। আমেরিকা-সহ পশ্চিমি দেশগুলি পশ্চিম এশিয়ার এই দেশের উপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় হেলিকপ্টার বা বিমানের আধুনিক যন্ত্রপাতি কিনতে অসুবিধায় পড়তে হয় ইরানকে।এমনকি, ইরানের সেনা যে যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে, সেগুলি ১৯৭৯ সালে সে দেশে ইসলামিক বিপ্লবের আগেও ব্যবহৃত হত। এখন প্রশ্ন হল, এই কপ্টারের ইতিবাচক দিক কোনগুলি?

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *