খবর লাইভ : পাক অধিকৃত কাশ্মীরে বিক্ষোভ নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরেই এখানে জল, বিদ্য়ুতের মতো প্রয়োজনীয় জিনিসের জন্য বিক্ষোভ-আন্দোলন চলছে। সম্প্রতিই পাকিস্তান থেকে স্বাধীনতার দাবিতেও সরব হন বাসিন্দারা। এরপরই আরও কড়া হাতে বিক্ষোভ দমন শুরু করেছে পুলিশ ও পাকিস্তানি রেঞ্জার্সরা।অস্বাভাবিক হারে কর বৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি -সহ একাধিক বিষয়ের বিরুদ্ধে পথে নামে অধিকৃত কাশ্মীরের জনতা। পাক সরকারের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ নিয়ে শনিবারও বড়সর প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দিয়েছিল জম্মু ও কাশ্মীর জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি। দোকানপাট বন্ধ রাখারও আর্জি জানানো হয়েছিল। কিন্তু এই মিছিল রুখতে মরিয়া ছিল পাক প্রশাসন। বিক্ষোভকারীদের থামাতে যেতেই অশান্তির আগুনে যেন ঘৃতাহুতি হয়।
আরও পড়ুনঃ ভোটের হারে এগিয়ে বহরমপুর
গত বছরের আগস্ট মাস থেকে পাক অধিকৃত কাশ্মীর বিদ্যুতের খরচ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া। যার ফলে ক্ষোভ আরও বাড়ছিল বাসিন্দাদের মধ্যে। মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পদক্ষেপ করবে বলেছিল পাক সরকার। কিন্তু দিনের পর দিন পেরিয়ে গেলেও সমস্যার সমাধান হয়নি। উলটে ঘাড়ে চেপেছে অন্যায্য করের বোঝা। যা নিয়েই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে।
অশান্তি আরও বেড়েছে। পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, প্রতিবাদ রাতারাতি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের চেহারা নিয়েছে। বিক্ষোভকারীদের থামাতে মারমুখী পাক পুলিশ ও রেঞ্জার্সরা। নির্বিচারে গুলি চালানো অভিযোগ উঠেছে।




