খবর লাইভ : এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২০১৬ সালের গোটা প্যানেল বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ এবং গ্রুপ সি-ডি নিয়োগের ক্ষেত্রে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সোমবার এই মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, সময়ের কারণে তা পিছিয়ে যায়। মঙ্গলবার সমস্ত পক্ষের বক্তব্য শোনে সুপ্রিম কোর্ট।এই মামলায় কলকাতা হাই কোর্টের প্রায় ২৬ হাজার চাকরিপ্রার্থীর চাকরি বাতিলের নির্দেশের উপর কোনও হস্তক্ষেপ করল না সুপ্রিম কোর্ট। আগামী জুলাই মাসে এই মামলার বিস্তারিত শুনানি হতে চলেছে। ১৬ জুলাই এই মামলাটির পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার শুনানির পর কলকাতা হাই কোর্টের রায়ের উপর আপাতত স্থগিতাদেশ দিল না দেশের সর্বোচ্চ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী জুলাই মাসে এই মামলার বিস্তারিত শুনানি হবে বলে জানিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত। ‘৮ হাজার ৩২৪জনের নিয়োগ অবৈধ হলে পুরো প্যানেল বাতিল কেন?’ মঙ্গলবার শুনানির সময় আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যকে প্রশ্ন করে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। এরপরই পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াটি অবৈধ বলে কোর্টে দাবি করে বিকাশ ভট্টাচার্য। ‘কারা যোগ্য, এসএসসি হলফনামা দিয়ে জানালে আপত্তি নেই’ বলেও সওয়াল করেন তিনি।
আগামী ১৬ জুলাই এসএসসির চাকরি মামলার ফের শুনানি হবে বলে জানাল সুপ্রিম কোর্ট। চাকরিহারাদের সুদ সহ টাকা ফেরতের উপর অন্তর্বতী স্থগিতাদেশ দিল সর্বোচ্চ আদালত।
‘৮ হাজার ৩২৪জনের নিয়োগ অবৈধ হলে পুরো প্যানেল বাতিল কেন?’ মঙ্গলবার শুনানির সময় আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যকে প্রশ্ন করে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। এরপরই পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াটি অবৈধ বলে কোর্টে দাবি করে বিকাশ ভট্টাচার্য। ‘কারা যোগ্য, এসএসসি হলফনামা দিয়ে জানালে আপত্তি নেই’ বলেও সওয়াল করেন তিনি।মঙ্গলবার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন করেন, ‘কেন সুপারনিউমেরিক পোস্ট তৈরি করতে চাওয়া হয়েছিল?’ এর জবাবে রাজ্য জানায়, এর নেপথ্যে রাজ্যের কোনও খারাপ অভিসন্ধি ছিল না। গত শুনানিতে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীর চাকরি বাতিলের নির্দেশে কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট।




