খবর লাইভ : আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। তারপরই আসন্ন লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে কাউন্টডাউন। শনিবার দুপুর ৩টে নাগাদ লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করতে চলেছে কমিশন। তবে বাংলায় ঠিক কত দফায় নির্বাচন হবে তা নিয়ে ইতিমধ্যে জল্পনা চরমে উঠেছে। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস চাইছে এক দফাতেই নির্বাচন হোক বাংলায়। ইতিমধ্যে দল সেই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণাও করেছে। তবে বাংলায় এক দফায় নির্বাচন হলে নিজেদের পেশি শক্তি দেখাতে পারবে না বিজেপি। এছাড়া কেন্দ্রের মোদি সরকার ভালো করেই জানে বাংলায় তাদের সংগঠনের বর্তমান অবস্থা। আর সেকারণে বেশি দফায় নির্বাচন করিয়ে বাংলাকে জোর করে অশান্ত করার চেষ্টা গেরুয়া শিবিরের। সূত্রের খবর, কেন্দ্রের মোদি সরকারের দেখানো পথেই বাংলায় ঠিক কত দফায় নির্বাচন হয় সেদিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।
আরও পড়ুনঃ দমদম স্টেশনে নন-ইন্টারলকিংয়ের কাজ! শিয়ালদহর মেইন শাখায় বাতিল শতাধিক ট্রেন
বাংলায় শুধু লোকসভাই নয়, একইসঙ্গে বরাহনগর ও ভগবানগোলা বিধানসভা কেন্দ্রের ফাঁকা আসনে হতে পারে উপনির্বাচন। মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন তৃণমূলের ইদ্রিশ আলি। তাঁর মৃত্যুর জেরে ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচন করাতে হবে কমিশনকে। অন্য দিকে, বরানগরের তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায় বিধায়কপদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। ফলে, সেখানেও উপনির্বাচন করাতে হবে। তবে এখনও পর্যন্ত ভোট ঘোষণা না হলেও অনেক আগে থেকেই কলকাতা-সহ বাংলার একাধিক প্রান্তে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠিয়েছে কমিশন। ইতিমধ্যে রাজ্যে এসে পৌঁছেছে ১৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পর আরও ৭৭০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে বলে খবর।
তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, বাংলার মানুষ অনেক আগেই বিজেপিকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে। বাংলায় গেরুয়া শিবিরের কোনও স্থান নেই। কেন্দ্রের মোদি সরকার ভালোমতোই জানে বাংলায় তাদের সংগঠনের হাল একেবারে তলানিতে। দলের কর্মী সমর্থক থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ নেতাদের কলহ একেবারে সামনে চলে এসেছে। বাংলায় নিজেদের জায়গা পাকা করতে না পারলেও কেন্দ্রে সরকারে থাকার সুযোগ নিয়ে গাজোয়ারি করতে একেবারেই পিছপা হচ্ছে না বিজেপি। সেকারণে বাংলায় এক নয়, কমপক্ষে সাত থেকে ন’দফায় নির্বাচন করাতে চেয়ে তৎপর কেন্দ্র। এদিকে শনিবার ভোট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু যাবে আদর্শ আচরণবিধি। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, দিল্লি থেকে ভোট ঘোষণার পরই এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা রাজ্যের প্রত্যেক জেলাশাসকের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। দুপুরে ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হয়ে গেলে শনিবারই সন্ধ্যায় ৬টায় রাজ্য কমিশন দফতরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হবেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। ফলে শনিবার ভোট ঘোষণা হলে এপ্রিল ও মে মাসের মধ্যেই গোটা নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।




