খবর লাইভ : রেশন বন্টন মামলার তদন্তে এবার তৎপর কলকাতা পুলিশ। সূত্রের খবর, কলকাতা পুলিশের অন্তর্গত প্রতিটি ডেপুটি কমিশনারের কাছে ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ১৪ মার্চ ২০২৪ সাল পর্যন্ত কী কী অভিযোগ জমা পড়েছে, প্রতিটি ডেপুটি কমিশনারের কাছে সেই তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবারের মধ্যেই সেই সমস্ত তথ্য লালবাজারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত, কলকাতা পুলিশের অন্তর্গত বিভিন্ন থানা এলাকায় রেশন বন্টন মামলায় ঠিক কত অভিযোগ জমা পড়েছে, আপাতত সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আদৌ কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে কী না তা জানতেই এমন পদক্ষেপ লালবাজারের।
তবে আদালতের নির্দেশ মতো রেশন বন্টন মামলার তদন্ত শুরু করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কিন্তু দেখতে দেখতে সময় পেরলেও তদন্ত এখনও সেই তিমিরেই পড়ে রয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনার তদন্তে নেমে ইতিমধ্যে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, বাকিবুর রহমান, বনগাঁর বিধায়ক শঙ্কর আঢ্য এবং বিশ্বজিৎ দাসকে গ্রেফতার করলেও এখনও কিছুই প্রমাণ করতে পারেনি ইডি। এমন আবহে কলকাতা পুলিশের এই পদক্ষেপকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করেছে রাজনৈতিক মহল। যদিও এই বিষয়ে কলকাতা পুলিশের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। তবে লোকসভা নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে কাজে লাগিয়ে একের পর এক রাজ্যে মোদি সরকারের লাগাতার হেনস্থার অভিযোগে সরব বিরোধীরা। নির্বাচন এলেই কেন্দ্রের ‘অতিতৎপরতা’ নিয়েও ইতিমধ্যে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। তার মধ্যে এবার রেশন বন্টন মামলায় সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখতে শুক্রবার বিকেলেই রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ লালবাজারের।




