খবর লাইভ : নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর হতেই দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ল বিক্ষোভ। সোমবার সন্ধ্যায় সিএএ চালুর কথা বিজেপি সরকার ঘোষণা করতেই, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিরোধিতা শুরু হয়। লোকসভা ভোটের আগে এটা বিজেপির ‘ভাঁওতাবাজি’ বলে আগেই কটাক্ষ করেছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার এই আইনের বিরোধিতা করে মামলা গেল সুপ্রিম কোর্টে। সিএএ অসাংবিধানিক ও বৈষম্যমূলক অভিযোগ করে মামলা করল অসমের রাজনৈতিক দল ইন্ডিয়ান ইউনাইটেড মুসলিম লিগ ও ডিওয়াইএফআই। অন্যদিকে সে রাজ্যের ছাত্রসংগঠনের তরফেও ধর্মঘটে ডাক দেওয়া হয়েছে।
সিএএ সংক্রান্ত মামলাগুলি ২০২২ সালে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ইউ ইউ ললিত, বিচারপতি রবীন্দ্র ভট্ট, বিচারপতি হিমা কোহলির বেঞ্চে বিচারাধীন ছিল। প্রধান বিচারপতি অবসরগ্রহণের পর এই মামলাগুলি বর্তমানে বিচারপতি পঙ্কজ মিথালের বেঞ্চে বিচারাধীন। সোমবার থেকে চালু হওয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের অধীনে আফগানিস্তান, পাকিস্তান, বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, শিখ, জৈন, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ, পার্সি ধর্মের লোকেরা নাগরিকত্ব পাবে।কিন্তু সেখানে মুসমিলদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এই নিয়েই বিবাদ শুরু। দিল্লিতে ইতিমধ্যে একাধিক জায়গায় প্রতিবাদ কর্মসূচি চলছে। সিএএ ঘিরে অসম উত্তপ্ত, উদ্বিগ্ন প্রশাসন। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানানো হয়েছে। আরও কিছু সংগঠন এই আইনের বিরোধিতা করে মামলাকারীদের সঙ্গে যুক্ত হবেন বলে খবর।




