খবর লাইভ : মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতে মামলা করা পর্যন্ত সময় চেয়েছিল রাজ্য। সেই আর্জি খারিজ হয়ে গিয়েছে বুধবার। আদালত জানায় যেখানে অভিযুক্তকে গ্রেফতারের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে, সেখানে ওই নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশের কোনও কারণ নেই। দ্রুত প্রধান বিচারপতি বেঞ্চের নির্দেশ কার্যকর করতে বলা হয়। এবং সেই সময় বেঁধে দেওয়া হয় বুধবার সকাল সাড়ে ৪টার মধ্যে। অন্য দিকে, ওই নির্দেশের অব্যবহিত পরেই শাহজাহানকে হেফাজতে নেওয়ার জন্য ভবানী ভবনে পৌঁছে যায় সিবিআই।
আরও পড়ুনঃ ঘাসফুল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলেন তাপস রায়
আদালত মন্তব্য করে, ‘‘সিবিআইয়ের হাতে শেখ শাহজাহানকে হস্তান্তর না করে রাজ্যের লুকোচুরির আচরণ আদতে অভিযুক্তকে আড়াল করার চেষ্টা। যেখানে গোটা তদন্ত সিবিআই করবে, সেখানে শাহজাহানকে হস্তান্তর না করা রাজ্যের সঠিক সিদ্ধান্ত নয়। শীর্ষ আদালতে আর্জি জানিয়ে দিলে হাই কোর্টের নির্দেশেও স্থগিতাদেশ হয়ে যায় না।’’ পাশাপাশি, কেন আদালত অবমাননার ‘প্রয়োজন হল’, এ নিয়ে রাজ্যকে প্রশ্ন করেন বিচারপতি ট্যান্ডন।
আইনজীবীদের বক্তব্য পরস্পরবিরোধী।
হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ ছিল ধৃত শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার। সময় বেঁধে দেওয়া হয় মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। একই সঙ্গে গত ৫ জানুয়ারি ইডির আধিকারিকদের উপর হামলার ঘটনায় বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠনের জন্য একক বেঞ্চ যে নির্দেশ দিয়েছিল, তা-ও খারিজ করে দেয় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। বিকেলেই শাহজাহানকে হেফাজতে নিতে ভবানী ভবনে পৌঁছে যান সিবিআইয়ের আধিকারিকেরা। তদন্তের কাগজপত্রও তাঁদের হাতে নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শাহজাহানকে না-নিয়েই ভবানী ভবন ছাড়তে হয় তাঁদের। সিআইডি যুক্তি দেয় যে হেতু রাজ্য সরকার হাই কোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সর্বোচ্চ আদালতে গিয়েছে, তাই মামলাটি বিচারাধীন।
শেষ পর্যন্ত শুনতে সাড়ে সাতটার সময় শেখ শাহজাহানকে সিআইডি থেকে হেফাজতে নেয় সিবিআই।



