খবর লাইভ : মহাকাশ গবেষণায় ইসরো একের পর এক সফল মিশনে চমকে দিয়েছে গোটা বিশ্বকে। এবার আমেরিকার গবেষণা সংস্থা নাসাও ভারতের সঙ্গে হাত মিলিয়ে স্যাটেলাইট লঞ্চের পরিকল্পনা করছে। একদিকে চন্দ্রযানের সাফল্য অন্যদিকে আদিত্য এল ওয়ানের সফল প্রতিস্থাপন- এর মাঝেই এবার মহাকাশে মানুষ পাঠাতে মিশন গগনযানে আরও একধাপ এগিয়ে গেল ইসরো। এদিন গগনযানের ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষার কথা এক্স হ্যান্ডেলে জানালো ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। অর্থাৎ স্বপ্নের পথে আরও একধাপ।
গত বছরের অক্টোবরেই গগনযান মিশনের প্রথম টেস্ট ফ্লাইটের সফল পরীক্ষা চালানো হয়। ২১ অক্টোবর শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে ইসরো গগনযানের ক্রু মডিউল উৎক্ষেপণ করে।একে টেস্ট ভেহিকল অ্যাবর্ট মিশন ১ এবং টেস্ট ভেহিকল ডেভেলপমেন্ট ফ্লাইন্ট নামেও ডাকা হচ্ছে। পরীক্ষামূলক যানটি মহাকাশচারীদের জন্য তৈরি ক্রু মডিউলটি নিজের সঙ্গে নিয়ে যায়। ক্রু মডিউল নিয়ে রকেটটি উপরে যায়। ১৭ কিলোমিটার উচ্চতায় ক্রু এস্কেপ সিস্টেম এবং ক্রু মডিউল চালু হয়। তারপরেই খুলে যায় প্যারাস্যুট। এরপর নিরাপদে বঙ্গোপসাগরে অবতরণ করে। গগনযান মিশনের মহাকাশচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইসরো এই পরীক্ষা চালাচ্ছে।
এবার ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিন টেস্ট করলেন বিজ্ঞানীরা। এটি সপ্তম পরীক্ষা। মহাকাশ থেকে ফেরার সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করলে ঘর্ষণের ফলে মহাকাশযানে আগুন লাগার সম্ভাবনা থাকে। সেক্ষেত্রে ইঞ্জিন যাতে সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত হয় সেই কথা মাথায় রেখেই বারবার ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিন পরীক্ষা করা হচ্ছে। তামিলনাড়ুর মহেন্দ্রগিরিতে সফল ভাবে এই পরীক্ষা করা হয়েছে। এর ফলে ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনটিকে হিউম্যান রেটিং-এর স্তরে উত্তীর্ণ করা গিয়েছে।
এ বার মানুষের সেই ইঞ্জিনে উঠতে আর কোনও বাধা নেই।এই মিশনের লক্ষ্য ২০২৫ সালে তিন দিনের মিশনে মানুষকে ৪০০ কিলোমিটার উচ্চতায় পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে পাঠানো এবং তাঁদের নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা। এই প্রকল্পে একক মহাকাশযাত্রা করবে ভারত। তাই ম্যান মিশনকে সম্পূর্ণ সফল করতে সতর্ক ইসরো কর্তা।




