খবর লাইভ : দ্বিতীয়বারও ইডির দফতরে এলেন না সন্দেশখালির শাহজাহান শেখ। প্রথমবার তল্লাশি চালিয়ে বেরনোর সময় শাহজাহানের বাড়ির দরজা সিল করে সমন নোটিশ ঝুলিয়ে দেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। কিন্তু তাও আসেননি তিনি। তবে দ্বিতীয়বার শাহজাহান শেখ যাতে হাজিরা দেন তা নিশ্চিত করতেই তাঁর ইমেল আইডিতে পাঠানো হয়েছিল সমন। কারণ যে প্রান্তেই তিনি থাকুন এই মেল ফোনে দেখা মাত্রই তিনি যেন হাজিরা দেন। কিন্তু বুধবারও আশা করলেও হাজিরা দিলেন না শাহজাহান।
বুধবারই সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শাহজাহানকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে পাঠানো হয়। কিন্তু সকাল, দুপুর গড়িয়ে বিকেল নামলেও তাঁর দেখা মিলল না। এমনকি ইডির পাঠানো ইমেলেরও কোনও জবাব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। আদালতে এর আগে আইনজীবী মারফত নিজের সই করা আবেদনের চিঠি পাঠিয়েছিলেন শাহজাহান। রেশন বন্টন মামলায় গরমিলের অভিযোগ সামনে আসতেই শাহজাহানকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। কিন্তু সন্দেশখালিতে কোনওরকমভাবে না জানিয়ে শাহজাহানের বাড়িতে ঢুকতে গেলেই জনরোষের মুখে পড়তে হয় তদন্তকারীদের। তারপর থেকেই খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না শাহজাহানের।
আরও পড়ুনঃ ২৬/১১ মুম্বই হামলার স্মৃতি উস্কে গেটওয়ে অব ইন্ডিয়ার কাছে ভিনদেশি নৌকা থেকে আটক তিন
সম্প্রতি শাহজাহানকে দ্বিতীয় বার সমন পাঠিয়েছিল ইডি। ইমেলে পাঠানো সেই সমনে জানানো হয়েছিল, রেশন দুর্নীতি মামলায় তদন্তের প্রয়োজনে শাহজাহানকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি। তিনি যেন বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারি সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে এসে দেখা করেন। কিন্তু দেখা গেল, সশরীরে হাজির হওয়া তো দূরের কথা, ইডির চিঠির জবাবও দেননি শাহজাহান। তবে যেহেতু শাহজাহানের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই লুক আউট নোটিশ জারি করা হয়েছে, তাই তিনি হাজিরা দিলে ইডির হাতে গ্রেফতারের আশঙ্কা প্রবল। তবে ইডি সূত্রে খবর, শাহজাহান যদি একেবারেই তলবে সাড়া না দেন, তবে তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার পথে যেতে পারেন গোয়েন্দারা। ইতিমধ্যেই ইডির তরফে শাহজাহান ও তাঁর পরিবারের লোকেদের সম্পত্তির খতিয়ান নেওয়া শুরু হয়েছে।




