খবর লাইভ : বুধবার পূর্ব বর্ধমানের সরকারি পরিষেবা প্রদান কর্মসূচি থেকে মমতা বলেন, ‘‘আমরা রেডি (তৈরি) হয়ে বসে আছি। প্লিজ, শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করে দিন।’’ বুধবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘শিক্ষক নিয়োগে অনেক শূন্যপদ পড়ে রয়েছে। কিন্তু কোর্টে আটকে রেখেছে।’’ মমতা এমনও বার্তা দিয়েছেন যে, কোনও অনিয়ম হয়ে থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হোক। আদালত সংশোধন করুক। তাতে তাঁর কিছু বলার নেই। কিন্তু শূন্যপদে নিয়োগ যেন আটকে না থাকে।
আরও পড়ুনঃ খারাপ আবহাওয়ায় আচমকা ব্রেক কষল চালক, সামান্য আঘাত মুখ্যমন্ত্রীর
শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে শাসকদলের একাধিক নেতা জেলবন্দি। হাজার দিনের বেশি হয়ে গেল চাকরিপ্রার্থীরা রাস্তায় বসে রয়েছেন। সেই পরিস্থিতিতে যখন প্রতিদিন বিরোধীরা রাজ্য সরকার তথা তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাচ্ছে, তখন নিয়োগের বিষয়ে আদালতের উদ্দেশে আবেদন জানালেন মমতা।
তাঁর কথায়, ‘‘আমি কোনও বিচারপতি সম্পর্কে কিছু বলব না। তবে কোনও রায়ের সমালোচনা করতেই পারি। আমি আইন পড়েছি, আমি জানি কী করা যায় বা যায় না।’’ অনেকের মতে, লোকসভা ভোটের আগে চাকরিপ্রার্থী ও তাঁদের পরিবারের উদ্দেশেও ‘বার্তা’ দিতে চেয়েছেন মমতা। তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, সরকার নিয়োগ দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। কিন্তু মামলার জটিলতায় তা আটকে রয়েছে। আর সেই মামলার নেপথ্যে রয়েছে সিপিএম, বিজেপি, কংগ্রেসের মতো বিরোধীরা।
একের পর এক মামলা, প্যানেল বাতিল হওয়া, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তে উঠে আসা বিষয় দেখে আদালতের নতুন নতুন নির্দেশে গোটা প্রক্রিয়াটাই থমকে রয়েছে।




