Special News Special Reports State

সন্দেশখালির মামলায় যুক্ত হতে চান না, অবস্থান বদল করে আদালতে শাহজাহানের আইনজীবী

0
(0)

খবর লাইভ : সন্দেশখালির মামলায় সোমবারই আদালতে আইনজীবী মারফত যুক্ত হওয়ার আবেদন করেছিলেন শেখ শাহজাহান। আর তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অবস্থান বদল করলেন তিনি।মঙ্গলবার আদালতে তাঁর আইনজীবী জানালেন, মামলায় পার্টি হতে চান না শেখ শাহজাহান।

সোমবার হাই কোর্টে তাঁর আইনজীবী বিশ্বরূপ মুখোপাধ্যায় বলেছিলেন, তাঁরা ECIR দেখেননি, তাঁদের বক্তব্য পেশের সুযোগ দেওয়া হোক। আর তার ঠিক একদিন পরেই ওই আইনজীবী জানালেন, ‘যদি আদালত মনে করে যে এই মামলায় তাঁর উপস্থিতির প্রয়োজন আছে তাহলেই আবেদন করবেন শেখ শাহজাহান’।ঘটনার পরক থেকে তার হদিশ নেই। অথচ, হামলাকাণ্ডের ১০ দিন পর, অন্তরালে থেকেই মামলায় যুক্ত হতে চেয়ে হাই কোর্টে আবেদন করেছিলেন শেখ শাহজাহান। আর তারপর অবস্থান বদলও করে ফেললেন।

আরও পড়ুনঃ শহরে গঙ্গা আরতির ঘাট বদল করতে চলেছে পুরসভা,কোথায় জানেন ?

বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আদালতও।এদিন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত জানতে চান, ন্যাজাট থানার তদন্তে এত ধীর গতি কেন? হামলার দিনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মূল অভিযুক্তকে কি গ্রেফতার করা হয়েছে? রাজ্য সরকারের আইনজীবী জানান, এখনও পর্যন্ত ৪ জনকে গ্রেফতার হয়েছে।ইডির আইনজীবী এসভি রাজু এবং ধীরাজ ত্রিবেদী সন্দেশখালির ঘটনার সিবিআই তদন্ত চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করেন।সেই মামলাতেই বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন শাহজাহানের আইনজীবী।রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত জানান, চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তের জন্য একটি তত্ত্বাবধান দল গঠন করা হয়েছে। তদন্তে নজরদারির জন্য ওই দলে রয়েছেন এসডিপিও, ডিএসপি এবং সার্কুলার ইন্সপেক্টর।
[16/01, 5:26 pm] +91 98364 56775: সুপ্রিম কোর্ট আর্থিক কেলেঙ্কারি মামলার এফআইআর বাতিল করার জন্য চন্দ্রবাবু নাইডুর আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে প্রতিবেদন : সুপ্রিম কোর্ট মঙ্গলবার অন্ধ্র প্রদেশ দক্ষতা উন্নয়ন কর্পোরেশনের একটি প্রকল্পের জন্য তহবিল অপসারণের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে নথিভুক্ত এফআইআর বাতিল করার জন্য রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডুর আবেদন খারিজ করেছে।তবে ঐ একই মামলায় বিচারপতি অনিরুদ্ধ বোস এবং বেলা এম ত্রিবেদীর বেঞ্চ, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৮৮ এর ধারা ১৭এ-এর প্রযোজ্যতার প্রশ্নে ভিন্নমত পোষণ করে এবং নির্দেশ দেয় যে বিষয়টি যথাযথ নির্দেশনার জন্য ভারতের প্রধান বিচারপতির সামনে রাখা হবে।উল্লেখ্য,আইনের ১৭এ ধারা, জুলাই ২০১৮ সালে একটি সংশোধনীর মাধ্যমে সন্নিবেশিত করা হয়েছে, একজন সরকারী কর্মচারীর দ্বারা অফিসিয়াল ফাংশন বা দায়িত্ব পালনের সময় গৃহীত সুপারিশ বা সিদ্ধান্তের সাথে সম্পর্কিত অপরাধের তদন্তের আগে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমোদন নেওয়াএকজন পুলিশ অফিসারের জন্য বাধ্যতামূলক।বিচারপতি বোস মনে করেন যে অনুমোদনের প্রয়োজনীয়তা এমনকি ২০১৮-এর আগের অপরাধের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে এবং তাই কর্তৃপক্ষ ১৩(১)(সি), ১৩(১)(ডি) এবং ১৩(২) ধারার অধীনে অপরাধের জন্য নাইডুর বিরুদ্ধে বিচার করতে পারে না।  কারণ এর জন্য কোনও পূর্বানুমতি নেওয়া হয়নি।তিনি অবশ্য বলেছেন, এটি রিমান্ডের আদেশকে অপ্রয়োজনীয় করবে না কারণ অনুমোদনের জন্য এখনও আবেদন করা যেতে পারে।ব্যাখ্যার সাথে ভিন্নমত পোষণ করে, বিচারপতি ত্রিবেদী বলেন, ধারা ১৭এ অতীত সম্পর্কিত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে না।উল্লেখ্য, তেলেগু দেশম পার্টি প্রধান চন্দ্রবাবু নাইডুকে গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর আনুমানিক ৩৭১ কোটি টাকার এপি স্কিল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন কেলেঙ্কারির অভিযোগে রাজ্যের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) গ্রেপ্তার করেছিল, যার পরে নভেম্বরে অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্ট তাকে নিয়মিত জামিন দেয়।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *