খবর লাইভ : হুগলির প্রাণপুরুষ তথা জননেতা হিসেবে একবাক্যে সকলেই প্রয়াত আকবর আলি খন্দকারকেই চেনেন। খানাকুলের বাসিন্দা আকবর আলি খন্দকার নিজের উপার্জনের সিংহভাগই সাধারণ মানুষকে বিলিয়ে দিতেন। সকল ধর্মের মানুষের কাছে তিনি আজও পূজিত হয়ে থাকেন। তৃণমূলের কাছেও আকবরের নামটি বিশেষভাবে তাৎপর্যের। দান ধ্যানের ক্ষেত্রে আকবর যেমন সাধারণ মানুষকে দেখতেন তেমনই সাধারণ মানুষের চোখেও নয়নের মণি হয়ে উঠেছিলেন তৃণমূলের প্রাক্তন এই সংসদ। তাই তো ১৯৯৮-৯৯ সালে যখন বামেদের রাজত্ব মধ্যগগনে তখনও শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের টিকিটে জিতে ছিলেন আকবর।
সেই আকবর আলি খন্দকারেরই যেন সুযোগ্য উত্তরসূরি হয়ে উঠছেন খানাকুলেরই বাসিন্দা শেখ সাকিম।
আরও পড়ুনঃ মানব পাচার মামলায় গাইঘাটায় খাদ্য সরবরাহ অফিসে তল্লাশিতে এনআইএ
কেন সাকিম সম্পর্কে এই কথা বলা হচ্ছে? কারণ সাকিমও দান ধ্যানের মাধ্যমেই সাধারণ মানুষের মন জয় করেছেন। ২০১৯ লোকসভা ভোটের পর থেকেই আরামবাগ লোকসভার চারটি বিধানসভা কেন্দ্র আরামবাগ, খানাকুল, গোঘাট ও পুরশুড়া কেন্দ্রে তৃণমূলের দাপট কমতে থাকে। অন্যদিকে এই চারটি কেন্দ্রে সংগঠন ক্রমশ বাড়তে থাকে বিজেপির। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে এই চারটি আসনেই বিজেপির কাছে হারতে হয় তৃণমূলকে। তবে সাকিমের জন্য ফের এই চারটি আসনে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে তৃণমূল। সাধারণ মানুষ ফের তৃণমূলের প্রতি আস্থা রাখা শুরু করেছে। সাকিমের জন্যই মানুষ তৃণমূলের প্রতি আস্থা রাখা শুরু করেছেন বলে এলাকাবাসীদের দাবি। সাকিম তাঁর রোজগারের ৯০ শতাংশই দান ধ্যানে খরচ করেন। খানাকুল, পুরশুড়ার বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের কাছে সাকিম যেন পুরনো দিনের আকবর আলি খন্দকার।
সাধারণ মানুষকে সাকিমের দান ধ্যানের বিষয়টি তৃণমূলের উচ্চ নেতৃত্বের কানেও পৌঁছেছে। সাকিম অবশ্য আকবর আলি খন্দকারের সঙ্গে নিজের তুলনা টানতে নারাজ। তিনি বলেন, ‘প্রয়াত আকবর আলি খন্দকার আমাদের সকলের গুরু। দয়াকরে তাঁর সঙ্গে আমার কোনও তুলনা করবেন না।’



