খবর লাইভ : শীর্ষ আদালতে আজ কামদুনি মামলার রায়দান স্থগিত ঘোষণা করা হল। এ কেসের সঙ্গে জড়িত সব পক্ষকে তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। সব রিপোর্ট খতিয়ে দেখার পর রায় ঘোষণা করা হবে। এদিন দোষীদের ফের গ্রেফতারির নির্দেশ জারি করতে রাজি হয়নি বিচারপতি গভইয়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। কামদুনি কেসে কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে পিটিশন ফাইল করেছেন কামদুনি প্রতিবাদীরাও। শীর্ষ আদালতে মামলা করেছে রাজ্য সরকারও।
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে কামদুনি-কাণ্ডে দোষীদের ফাঁসি রদ হয়। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ , নিম্ন আদালতে ফাঁসির সাজা পাওয়া সইফুল আলি এবং আনসার আলির সাজা কমিয়ে তাঁদের আমৃত্যু কারাদণ্ড ঘোষণা করে। এই রায় ঘোষণার পর রাজ্য সরকার শীর্ষ আদালতে যাওয়া সিদ্ধান্ত নেয়। তবে মানুষের অনুভূতি নিয়ে রাজনীতি করার লক্ষ্যে উঠে পড়ে লাগে বিজেপি। প্রতিবাদীদের রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রভাবিত করার পাশাপাশি মিথ্যে আশ্বাসের তাস খেলতে দেখা যায় শুভেন্দু অধিকারী সহ রাজ্যের বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীদের। কামদুনির ঘটনাকে কেন্দ্র করে করে কার্যত ঘোলা জলে রাজনীতি করতে নেমে পড়ে পদ্ম শিবির। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে আগেই বলা হয়েছে যে এখানে কোনও রাজনীতির জায়গা নেই। রাজ্য সরকার সবসময় নির্যাতিতার পরিবারের পাশেই আছে। ইতিমধ্যেই দিল্লিতে পৌঁছেছেন নির্যাতিতার পরিবার, শিক্ষক প্রদীপ মুখোপাধ্যায় এবং কামদুনি আন্দোলনের অন্যতম মুখ মৌসুমী কয়াল।




