খবর লাইভ : শতবর্ষ প্রাচীন টাইটানিকের জনপ্রিয়তা এখনও কিছু কম নয়। সেই অভিশপ্ত টাইটানিক দর্শনে গিয়েই মর্মান্তিক পরিণতি হয়েছে। আটলান্টিক মহাসাগরের নীচে সলিল সমাধি ঘটেছে পাঁচ জনের। যা নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলছে সমালোচনা। এই পরিস্থিতিতেই আটলান্টিকের অতল থেকে তোলা হল ডুবোজাহাজ ‘টাইটান সাবমার্সিবল’-এর ধ্বংসাবশেষ।
আটলান্টিক থেকে কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ড অ্যান্ড ল্যাব্রাডরের বন্দরে তোলা হয় টাইটানের ধ্বংসাবশেষ। জলের নীচে কী ভাবে বিস্ফোরণ ঘটল ডুবোজাহাজটিতে, তার কারণ খতিয়ে দেখতে ওই ধ্বংসাবশেষ থেকে সূত্র মিলতে পারে বলে আশা করছেন তদন্তকারীরা।
আরও পড়ুনঃ রাজু ঝা খুনে গ্রেফতার আরও ২
আয়তনে প্রায় ২২ ফুট দীর্ঘ ছিল টাইটান। বুধবার জলের তোড়ে তার কিছু টুকরো ভেসে আসে কানাডা উপকূলে। এরপরই ভেসে আসা টুকরোগুলিকে ধরে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। কানাডার ‘হরাইজন আর্কটিক’ নামের একটি জাহাজ টাইটানের ধ্বংসাবশেষের খোঁজে নামে।রিমোট চালিত একটি যান নামানো হয় আটলান্টিকের গভীর জলে। একেবারে মহাসাগরের তলদেশ পর্যন্ত কার্যত খুঁড়ে ফেলা হয়। টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষের কাছেও চলে তল্লাশি অভিযান। ওই যানই সন্ধান পায় টাইটানের ধ্বংসাবশেষের।
বুধবার টাইটানের যে ধ্বংসাবশেষের ছবি উঠে এসেছে তাতে দেখা গিয়েছে, দুমড়ে মুচড়ে গিয়েছে ডুবোজাহাজটি। প্রথমে ক্রেনের সাহায্যে জল থেকে তোলা হয় সেটি। তার পর লরিতে চাপিয়ে সেটি বন্দর থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।
এই মুহূর্তে আটলান্টিকের নীচে ঠিক কী ঘটেছিল, তার তদন্ত চলছে । তাতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন উপকূলবাহিনী। পাঁচ যাত্রীকে নিয়ে জলের নীচে কী করে বিস্ফোরণ ঘটল, কেন জলের নামার কিছু ক্ষণ পরই তার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইলেকট্রনিক ডেটা থেকে সেই সংক্রান্ত তথ্য় মিলতে পারে বলে আশাবাদী তদন্তকারীরা।




