খবর লাইভ : ফের সংবাদ শিরোনামে যোগীরাজ্য উত্তরপ্রদেশ। এবার পাঠ্যক্রম থেকে বাদ পড়লেন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। দেশের ৫০ জন মহান নেতার তালিকায় রয়েছেন বিনায়ক দামোদর সাভারকর, দীনদয়াল উপাধ্যায়, মহাত্মা গান্ধী, সর্দার প্যাটেল, ভীমরাও আম্বেদকর, লালবাহাদুর শাস্ত্রীরা। কিন্তু, স্থান পায়নি জওহরলাল নেহরু, রাজেন্দ্র প্রসাদ, সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের জীবনী। জানা গিয়েছে, জুলাইয়ে নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকেই নয়া পাঠক্রমে দেশের ৫০ জন মহান নেতার জীবনী পড়ানো হবে। তবে আচমকা কেন নেহরু দেশের সেরা নেতাদের তালিকা থেকে বাদ পড়লেন, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। বড়সড় প্রশ্নের মুখে পড়েছে যোগী সরকার।
তবে এমন সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে যোগীরাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর সাফাই, নেহরু দেশের জন্য প্রাণ বলিদান দেননি। তাই, ওঁকে এই তালিকায় রাখা হয়নি। পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশ শিক্ষা বোর্ডের সচিব জানিয়েছেন, বিষয়টি আবশ্যিক অর্থাৎ, এই বিষয়ে প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীকে পাশ করতেই হবে। কিন্তু, এই নতুন বিষয়ের নম্বর হাই স্কুল ও ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষার মার্কশিটে যোগ হবে না। এদিকে শিক্ষা দফতর সাফ জানিয়েছে, বিশেষজ্ঞ কমিটি ইতিমধ্যে এই নতুন সিলেবাসের অনুমোদন দিয়েছে।
তবে বিজেপি জমানায় এই সিদ্ধান্ত প্রথম নয়। এর আগে এনসিইআরটির নিচু ক্লাসের সিলেবাস থেকে মহাত্মা গান্ধীর হত্যা এবং আরএসএস-এর উপর নিষেধাজ্ঞার বিষয় সিলেবাস থেকে বাদ পড়েছে। সেই তালিকায় নয়া সংযোজন নেহরুর জীবনী। জানা গিয়েছে, ২০২২-এ উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচনের সময় এক সংকল্পপত্র প্রকাশ করেছিল বিজেপি। আর তাতে বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের জীবনী পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছিল। সেই সূত্র ধরেই নয়া শিক্ষাবর্ষে ৫০ জন ব্যক্তিত্বের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। যাঁদের জীবনী নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির বইয়ে ভাগ করে পড়ানো হবে। কিন্তু এই ভুল কী অসাবধানতাবশত? নাকি ইচ্ছাকৃত? বিরোধীদের দাবি, অবিলম্বে এই ভুল সংশোধন করা হোক। আর, এই ভুলের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হোক।




