খবর লাইভ : তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচি থেকে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার বলেছেন, নির্দল হয়ে ভোটে লড়লে, তাঁর জন্য দলের দরজা বন্ধ হয়ে যাবে। তারপরও পঞ্চায়েত নির্বাচনের ঠিক আগেই সেই নির্দল কাঁটাই প্রকট হয়ে উঠল নন্দীগ্রামে। এখনও পর্যন্ত মোট ২২ জন নির্দল প্রার্থী মনোনয়ন পেশ করেছেন নন্দীগ্রামে। এরপরই দুই তৃণমূল নেতাকে নিয়ে বৈঠকে বসলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। মঙ্গলবার তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ান ও বাপ্পাদিত্য গর্গকে নিয়ে বৈঠকে বসেন তিনি। সুফিয়ান-ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত বাবলু আখতারও এদিনের বৈঠকে হাজির ছিলেন।
যাঁরা নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন, তাঁরা প্রায় প্রত্যেকেই সুফিয়ান অনুগামী বলে পরিচিত। সেই অস্বস্তি কাটাতেই এদিন প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে দুই নেতাকে নিয়ে কুণাল বৈঠক করেছেন বলে সূত্রের খবর।
আরও পড়ুনঃ ভারতীয় কুস্তী ফেডারেশনের নির্বাচন আগামী ৬ জুলাই
গত বিধানসভা নির্বাচনে সুফিয়ান নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী এজেন্ট ছিলেন। সুফিয়া-ঘনিষ্ঠদের অভিযোগ ছিল, পঞ্চায়েত ভোটের সময় তাঁর অনুগামীদের কোণঠাসা করা হচ্ছে। টিকিট না পেয়ে নন্দীগ্রামের ১৭টি পঞ্চায়েতে নির্দল প্রার্থী দেন সুফিয়ানের অনুগামীরা।
তিনি নন্দীগ্রাম ছাড়ার পরেই বুধবার জানা যায়, জেলা পরিষদের প্রার্থী তালিকায় সুফিয়ানের নাম রয়েছে। এর পরেই প্রতিবাদ সরব হন সুফিয়ানের বিরোধী গোষ্ঠী।
সুফিয়ান বলেন, ‘‘আমি তৃণমূলের এক জন সৈনিক। দল যখন যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করছি। আমি বৃহস্পতিবার সকালে হলদিয়া মহকুমাশাসকের দফতরে মনোনয়ন জমা করতে যাব। নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থীরা নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় জিতবে। আমাকে ব্লক বা জেলা নয়, টিকিট দিয়েছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী, সুব্রত বক্সী এবং অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। আমি তাঁদের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করছি। তবে একটি আসনে একাধিক দাবিদার থাকতেই পারে। যাঁরা টিকিট পেলেন না, তাঁদের অনুগামীদের ক্ষোভ হওয়া স্বাভবিক। তবে আমি আগের মতোই রেকর্ড ভোটে এই আসনে জিতব।




