খবর লাইভ : দিল্লির যন্তর মন্তরে কুস্তিগীরদের লাগাতার ধর্না এবং বৃহস্পতিবার তাঁদের উপরে পুলিশি হামলার অভিযোগের জেরে প্রবল অস্বস্তিতে নরেন্দ্র মোদি সরকার। আর পুলিশি অভিযানের পরে এবার প্রধানমন্ত্রীর ‘বেটি বাঁচাও’ অভিযানের যৌক্তিকতা নিয়েই প্রশ্ন তুললেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। রাহুল বলেন, ‘‘বেটি বাঁচাও’ (নিয়ে প্রচার) আসলে নাটক! বিজেপি মহিলাদের উপরে অত্যাচারে কখনওই পিছিয়ে থাকে না।’’
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ইতিমধ্যেই ব্রিজভূষণের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। তবে বিজেপি নেতৃত্বের মতে, অভিযোগ প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত ব্রিজভূষণকে সরানোর কোনও প্রশ্ন নেই। তবে বিরোধীদের মতে, কৃষকদের গাড়ি চাপা দেওয়ায় অভিযুক্ত আশিস মিশ্রের বাবা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনিকে সরানোর দাবি এভাবেই উড়িয়ে দিয়েছিলেন মোদি- শাহরা। ব্রিজভূষণ উত্তরপ্রদেশের ছ’বারের সাংসদ এবং রাজপুত নেতা। রাম জন্মভূমি আন্দোলনে তিনি লালকৃষ্ণ আডবাণীর রথের চালক ছিলেন। ফলে লোকসভার আগে হিন্দু ভোটের চিন্তাও রয়েছে এ ক্ষেত্রেও। এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে কুস্তিগীরদের ওপর পুলিশি নির্যাতন প্রসঙ্গে বিরোধী দলের নেতারা একে ‘দুঃখজনক এবং লজ্জার ঘটনা বলে অভিহিত করেছেন এবং ভারতীয় জনতা পার্টি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের তীব্র নিন্দা করেছেন।
তবে এদিন রাহুল সরাসরি প্রশ্ন তোলেন, ‘বেটি বাঁচাও’ শুধুই ভন্ডামি, কেন্দ্র সরকারের ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আসলে, বিজেপির শাসনকালে দেশের মহিলাদের নির্যাতনের হাত থেকে রেহাই পান নি। অন্যদিকে, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী এবং আম আদমি পার্টির জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়ালও বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, দেশের চ্যাম্পিয়ন খেলোয়াড়দের সঙ্গে এমন দুর্ব্যবহার? এটা খুবই দুঃখজনক এবং লজ্জার। তিনি যোগ করেন, দেশের সকল মানুষের কাছে আমার আবেদন বিজেপির গুন্ডামি আর সহ্য করবেন না। বিজেপিকে উৎখাত করার পাশাপাশি এখন তাদের তাড়ানোরও সময় এসেছে।




