Special News Special Reports State

‘আমার মেয়ে কোনও দু’নম্বরি করতে পারে না’, মেয়ের পাশে হৈমন্তীর মা

0
(0)

খবর লাইভ : নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নাম জড়িয়েছে হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের।এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে প্রথম দিন বলেছিলেন তার কাছে মেয়ে মরে গিয়েছে, কোনও যোগাযোগই নেই মেয়ের সঙ্গে। আর রবিবার ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে সেই মেয়ের পাশেই দাঁড়ালেন তার মা। বললেন, তাঁর মেয়ে নির্দোষ।কোনও ‘দু’নম্বরি’ কাজ করতে পারে না।

ধৃত অভিযুক্ত তাপস মণ্ডলের ‘ঘনিষ্ঠ’ গোপাল দলপতির ‘প্রাক্তন স্ত্রী’ হৈমন্তী। তার নামে অভিযোগ, তার বিভিন্ন সংস্থার অ্যাকাউন্টে চাকরিপ্রার্থীরা টাকা পাঠাতেন। এই অভিযোগ করেছেন নিয়োগ মামলায় আর এক অভিযুক্ত সিবিআই হেফাজতে থাকা যুব নেতা কুন্তল ঘোষ। হৈমন্তীর মা আজ দাবি করে বলেছেন, আমার মেয়ে সৎ বংশের মেয়ে। ও কোনও দু’নম্বরি করতে পারে না। ও খুবই ভাল মেয়ে। পরে সকলে বুঝতে পারবে, মেয়ে কত সৎ ছিল।
যদিও মেয়ের গতিবিধি সম্পর্কে তিনিও কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন। রবিবার হাওড়ার উত্তর বাকসাড়া রোডের কাটুরিয়া পাড়ায় বাড়ি থেকে তিনি বলেন, মেয়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। সে কোথায় যাবে, কী করবে, তা আমি কী করে জানব? আমি কোনও ঝামেলায় জড়াতে চাই না। আমার মেয়ে কোথায়, সেটা আমি কী করে জানব? মেয়ে নিয়োগ দুর্নীতিতে জড়িত কি না, তা যারা তদন্ত করছে, তারা বলতে পারবে।

এদিকে সিবিআইয়ের দাবি, মুম্বইয়ের ঠিকানায় গোপাল দলপতি ওরফে আরমান গঙ্গোপাধ্যায় এবং হৈমন্তীর নামে একটি সংস্থার অ্যাকাউন্টে কয়েক লক্ষ টাকার বেআইনি লেনদেনের সূত্র মিলেছে। এই বিষয়ে হৈমন্তীর মা বলছেন, এটা ভেরিফাই করে দেখুক তদন্তকারীরা। আমি কী করে বলব? তাঁর মেয়ে বিয়ের আগে চাকরি করতেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজেও হৈমন্তী যুক্ত বলে দাবি তার।
হৈমন্তীর মা বলেছেন, বিয়ের আগে চাকরি করত আমার মেয়ে। বিয়ের পর ব্যবসা, দানধ্যান করত। অনাথ ছেলেমেয়ের খাবারদাবার, জামাকাপড় দিত। শুধু মেয়েই নয়, জামাই গোপাল দলপতি সম্পর্কেও কিছু জানেন না বলেও দাবি করেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, গোপালের সঙ্গে আমাদের কোনও যোগাযোগ নেই। বহু কাল আগে যখন মেয়েকে বিয়ে করেছিল, তখন যোগাযোগ ছিল। গোপালের সঙ্গে কী ভাবে মেয়ের পরিচয় হল, তাও জানি না।
এদিকে বিতর্ক শুরু হওয়ার পর থেকেই হৈমন্তীর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। কোথায় অভিনেত্রী? উঠছে সেই প্রশ্নও।হৈমন্তীর চোখ ধাঁধানো লাইফস্টাইল যতই চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়াক, তাঁর মায়ের দাবি তিনি কোনও মতে দিন চালান।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *