খবর লাইভ : যোশীমঠের বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। একের একের পর এক ধসের ঘটনায় তোলপাড় গোটা দেশ। ইতিমধ্যেই উত্তরাখণ্ড সরকারের তরফে এলাকাকে বিপর্যয়গ্রস্ত বলে তকমা দেওয়া হয়েছে। গত ২ জানুয়ারি থেকেই ফাটল দেখা গেছিল জনপদ যোশীমঠের বিভিন্ন বাড়ি, হোটেল সহ রাস্তায়। ভেঙে পড়েছে পরিত্যক্ত মন্দির। চাষের জমি থেকে শুরু করে শহরের মনোহর বাগ রোড, গান্ধী রোডের মতো জায়গায় বড় বড় ফাটলের সৃষ্টি হয়। কিন্তু কেন এই ঘটনা? জানা যাচ্ছে, কিছুদিন আগেই আইআইটি কানপুরের একটি গবেষক দল যোশীমঠের যান। ওই দল গবেষণা করে জানায় যে যোশীমঠে মোটেই সুরক্ষিত নয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও সে রাজ্যের সরকার কী করে অনুমতি দিল জনপদ গড়ে তোলার তা নিয়ে প্রশ্নের মুখে ভারতীয় জনতা পার্টি।
নতুন করে মেরামতির কাজ শুরু হয়েছে । কিন্তু এই ঘটনা ঘটার কারণ কী? আইআইটি কানপুরের ওই রিসার্চ দল আগেই জানিয়ে ছিল কোনও ভাবেই বসবাসের উপযুক্ত নয় যোশীমঠ। গবেষণায় বলা হয়েছিল যেকোনও দিন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আর সেই আশঙ্কাই এবার সত্যি হল। ডিসেম্বর থেকেই ফাটল দেখা যাচ্ছিল। জানুয়ারিতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। এবার সব দিক বিচার করে উত্তরাখণ্ড সরকার রীতিমতো নোটিশ দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে যে যোশীমঠ বসবাসের জন্য উপযুক্ত এবং নিরাপদ নয়। তাহলে কী হবে এর ভবিষ্যৎ? বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন সবটাই নির্ভর করছে প্রতিনিধি দলের রিপোর্টের উপর। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের তরফে ৭ সদস্যের একটি টিম গঠন করা হয়েছে। সেই দলে আছেন এনডিএমএ-র বিশেষজ্ঞ, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের প্রতিনিধি, এ ছাড়া জিওলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া , রুরকি আইআইটি-র বিশেষজ্ঞ, হিমালয়ের ভূতত্ত্ব সংক্রান্ত ওয়াদিয়া ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞ, ভারতের জলবিদ্যা সংক্রান্ত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হাইড্রোলজিট-এর প্রতিনিধি এবং কেন্দ্রীয় নির্মাণ সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞরা। এখন তাঁরা সব দিক খতিয়ে দেখে কী রিপোর্ট জমা দেন সেটাই দেখার।




