খবর লাইভ : দুর্নীতি কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না তৃণমূল নেতাদের। এবার ফের দামোদর থেকে বেআইনিভাবে মাটি কাটার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থল সেই হাওড়ার পেঁড়ো থানার জয়নগর। কিছুদিন আগেই বাঁধ নির্মাণের অজুহাত দেখিয়ে প্রশাসনের চোখে ধূলো দিয়ে দামোদর থেকে বেআইনিভাবে মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছিল পলাশ নামে স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। প্রশাসন সেই বেআইনি কাজ বন্ধ করে দেয়। বেশ কিছুদিন বন্ধ থাকার পর শুক্রবার সকালে ফের জয়নগরে দামোদর থেকে বেআইনিভাবে মাটি কাটার কাজ শুরু করে মাটি মাফিয়ারা। পুলিশ অবশ্য নবান্নের নির্দেশে সেই বেআইনি কাজ সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দেয়। এবার বেআইনিভাবে মাটি কাটার কাজে নাম জড়িয়েছে খিলা অঞ্চলের প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি তমাল পাত্রের। যিনি হাওড়া জেলা তৃণমূলের এক প্রভাবশালী নেতার ঘনিষ্ঠ হিসেবেই পরিচিত। তমাল ছাড়াও নিমাই বাগ নামে আরও এক তৃণমূল নেতার নাম উঠে এসেছে। এই দুই নেতার বিরুদ্ধেই এলাকায় দাদাগিরি করা, বেআইনি কাজের অভিযোগ বার বার উঠে এসেছে। যদিও তমাল দাবি করেছেন, তিনি এই ধরনের বেআইনি কাজের সঙ্গে জড়িত নন। তবে স্থানীয় লোকজন জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তমাল বেআইনিভাবে মাটি কাটার কাজে জড়িত। তাই তাঁরা বার বার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারস্থ হয়েছেন বেআইনি মাটি কাটার কাজ বন্ধের দাবিতে এদিকে পেঁড়ো থানার ঘোড়াদহে আখতার নামে এক প্রমোটারের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে ডোবার উপর নির্মাণ কাজের অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নালিশ জানিয়েছেন ওই এলাকার লোকজন। একইভাবে পুকুরের উপর বেআইনিভাবে প্রমোটিংয়ের অভিযোগ উঠেছে হুগলির চণ্ডীতলা থানার হাটপুকুর এলাকায়। শ্রীকান্ত বাগ নামে এক প্রোমোটারের নামে অভিযোগ তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারস্থ হয়েছেন এলাকার লোকজন।
পেঁড়ো থানা বেআইনিভাবে মাটি কাটার কাজ বন্ধ করতে পারলেও এখনও রমরমিয়ে বেআইনিভাবে মাটি কাটার কাজ চলছে আমতার বেশ কিছু জায়গায়। আমতার মাটি মাফিয়া হিসেবে পরিচিত উত্তম খোটেলের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে অভিযোগ জমা পড়েছে।
অন্যদিকে, হুগলির চণ্ডীতলা থানার আজবনগরে সরকারি জায়গা থেকে বেআইনিভাবে মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছে বাবলু মল্লিক নামে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।




