খবর লাইভ : বাঙালি হওয়ার সুবাদে তিনি বাংলা ভাষাকে হৃদয় দিয়ে অনুভব করতে পারেন। আবার সংস্কৃত নিয়ে ছোটবেলা থেকে পড়াশোনার জন্য ভারতবর্ষের প্রাচীন ভাষাকেও হৃদয়ে গেঁথে ফেলেছেন। আর তাই বাংলা ও সংস্কৃত ভাষাকে সমান গুরুত্ব দেওয়ার জন্য নিজের ছেলের জন্মদিনকে বেছে নিলেন অধ্যাপক উত্তম বিশ্বাস। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নদিয়ার রানাঘাটের বাসিন্দা তথা বর্তমানে বারাসত নিবাসী উত্তমবাবু নিজের একমাত্র ছেলের ১০ম জন্মদিনের নিমন্ত্রণপত্রে ভাষা হিসেবে বাংলা ও সংস্কৃতকে বেছে নিলেন। আগামী ৮ জানুয়ারি উত্তমবাবুর একমাত্র পুত্র উজানের জন্মদিনের নিমন্ত্রণপত্রে বাংলার পাশাপাশি সংস্কৃত ভাষাকে সমান গুরুত্ব দেওয়ায় সকলেই তারিফ করেছেন।
বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দিরের প্রাক্তন ছাত্র উত্তমবাবু উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশনের অধীনস্থ বেদবিদ্যালয়ের পড়ুয়া হিসেবে স্বর্ণপদক প্রাপ্ত হন। বর্তমানে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে বেশ সুনাম রয়েছে উত্তমবাবুর।
সেই অধ্যাপক অবশ্য নিমন্ত্রণপত্রে সংস্কৃত ভাষার উল্লেখ নিয়ে বলেন, ‘আমি বাঙালি হওয়ার কারণে বাংলা ভাষাকে যেমন গুরুত্ব দিয়েছি তেমনই সংস্কৃত বিভাগের অধ্যাপক হওয়ায় সংস্কৃত ভাষাটিকে নিমন্ত্রণপত্রে রেখেছি। কোনও প্রচারের জন্য আমি একাজ করিনি।’
আরও পড়ুনঃ অস্ট্রেলিয়ায় মাঝ আকাশে দুই হেলিকপ্টারের মুখোমুখি সংঘর্ষ, মৃত ৪
উত্তমবাবুর এই ধরনের কাজে সকলেই প্রশংসা করেছেন।




