খবর লাইভ : কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) নিযুক্ত বাগ কমিটির রিপোর্টে এই ১২ জনের মধ্যে অনেকের নাম রয়েছে। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছিল, শান্তিপ্রসাদ, কল্যাণময়, অশোক কুমারের মতো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সিবিআইকে ফৌজদারি মামলা করতে হবে। হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তেরও নির্দেশ দেয়। সেইমতো সিবিআই (CBI) এবং ইডি (ED) তদন্তে নামে। বাগ কমিটির সুপারিশ মেনেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করে। সিবিআই তাঁদের বাড়ি ও অফিসে একাধিকবার তল্লাশি চালায়। উদ্ধার হয় অনেক গোপন নথি। তারপরেই একে একে গ্রেফতার করা হয় শান্তিপ্রসাদ, অশোক কুমার, কল্যাণময়, সুবীরেশ, প্রসন্ন, প্রদীপদের।
আদালত এবং তদন্তকারী সংস্থার মতে, এঁদের নেতৃত্বে শিক্ষা দুর্নীতির একটা চক্র গড়ে উঠেছিল। এই চক্রের মাথা প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনিও এখন সংশোধনাগারে বন্দি। গত ২২ জুলাই দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর গভীর রাতে ইডি গ্রেফতার করে শাসকদলের প্রভাবশালী নেতা তথা মন্ত্রী পার্থকে। ঘরে বাইরে প্রবল চাপের মুখে পড়ে কয়েকদিন পর পার্থকে মন্ত্রিত্ব এবং দলের মহাসচিবের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পার্থের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের দুটি ফ্ল্যাট থেকে নগদ প্রায় ৫০ কোটি টাকা এবং বেশ কয়েক কোটি টাকার সোনার গয়না উদ্ধার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অর্পিতাও এই চক্রের সঙ্গে জড়িত বলে সিবিআইয়ের দাবি। তিনিও এখন সংশোধানাগারে বন্দি।




