খবর লাইভ : টাকার পতন দেশে মুদ্রাস্ফীতির হার বাড়িয়ে তুলছে। এক ডলারের মাপকাঠিতে তা বৃহস্পতিবার ৮৩ টাকা ২০ পয়সায় নেমে এসেছে। এই মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উচিত প্রাক্তন রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার গভর্নর রঘুরাম রাজন সহ ৫ বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও দেশের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলা। এমনই মন্তব্য করলেন দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী ও প্রবীণ কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরম।
তবে একে উপযাচক হয়ে উপদেশ বলেছেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। তাঁর এই উপদেশকে খারিজ করে পাল্টা বিঁধেছেন অমিত মালব্য। তিনি বলেছেন, চিদম্বরমের তালিকা অনুযায়ী, রঘুরাম রাজন, মন্টেক সিং আহলুওয়ালিয়ার মতো ওই ৫ অর্থনীতিবিদ ইউপিএ আমলে ২০১২ সাল থেকে ২০১৪ সালে ‘ভঙ্গুর অর্থনীতির’ নির্ধারণে বিভিন্ন পদে ছিলেন।
এই বিতর্কের সূত্রপাত হয় যখন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা চিদম্বরম জানান, অবিলম্বে প্রধানমন্ত্রীর উচিত দেশের অর্থনীতির বিশেষজ্ঞদের থেকে এই পরিস্থিতিতে মতামত নেওয়া। ওই অর্থনীতিকদের তালিকায় রয়েছেন ওযাইভি রেড্ডি যিনি প্রাক্তন আরবিআই গভর্নর। রাকেশ মোহন ছিলেন আরবিআইয়ের ডেপুটি গভর্নর, মন্টেক সিং আহলুওয়ালিয়া যোজনা কমিশনের (অধুনা লুপ্ত) ডেপুটি চেয়ারম্যান ছিলেন।
আরও পড়ুনঃ প্লাজমার প্যাকেটে মুসাম্বির রস! যোগী রাজ্যে রোগী মৃত্যু ঘিরে তোলপাড়
টুইটে চিদম্বরম লিখেছিলেন, ধারাবাহিকভাবে টাকার এই মূল্যের পতনে সরকারকে অসহায় অবস্থায় নিয়ে যাচ্ছে। তিনি জানান, মুদ্রাস্ফীতি, ঘাটতি ব্যয় ও বৈদেশিক বাণিজ্যে, সুদের হারে এর বড় রকমের প্রভাব পড়বে। এই প্রেক্ষিতে সরকারের উচিত সবস্তরের আর্থিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলা। তবে কিছু দিন আগেই মোদি সরকারের অন্যতম সমালোচক ওই অর্থনীতিবিদ রঘুরাম রাজন বলেছিলেন, ভারতের অর্থনীতির শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানের মতো খারাপ পরিস্থিতি এখনও নয়। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন অবশ্য এই পরিস্থিতিকে টাকার পতন না দেখে তিনি ডলার শক্তিশালী হচ্ছে সেই হিসেবে দেখতে বলেছিলেন।




