খবর লাইভ : কয়েক দিন আগেই হাওড়ার শিবপুর এলাকায় একটি আবাসনে ফ্ল্যাট ও গাড়ি থেকে নগদ আট কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়। পাওয়া যায় সোনা ও হিরের গয়নাও।
এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শৈলেশ পাণ্ডেকে গ্রেফতার করা হল। তাঁর দুই ভাই অরবিন্দ ও রোহিত পাণ্ডেকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত তাঁদের আরও এক সহযোগী। শুক্রবার ওড়িশা থেকে তিন পাণ্ডে ভাইকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশের ব্যাঙ্ক জালিয়াতি দমন শাখা। তাঁদের এক সহযোহগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে গুজরাত থেকে। ধৃতদের ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতায় আনা হবে।
শিবপুরের ব্যবসায়ী শৈলেশ পাণ্ডের মোট ২২টি অ্যাকাউন্ট থেকে এক বছরে ২০৭ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। যা দেখে চোখ কপালে উঠে গিয়েছে তদন্তকারীদের।
এই বিপুল পরিমাণ টাকার উত্স কী এখন সেটাই খতিয়ে দেখছে ইডি। পুলিশ জানিয়েছে, শিবপুরের বাসিন্দা ব্যবসায়ী শৈলেশ পাণ্ডের দু’টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে এক মাসে ৭৭ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছিল। সেই সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে লালবাজারের গোয়েন্দারা দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুরের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে আরও ১৭টি অ্যাকাউন্টের খোঁজ পান। ওই ১৭টি অ্যাকাউন্ট থেকে গত এক বছরে লেনদেন হয়েছে মোট ১৩০ কোটি টাকা।
এখনও পর্যন্ত সবমিলিয়ে শৈলেশের যে ক’টি অ্যাকাউন্টের খোঁজ মিলেছে তা খুঁটিয়ে দেখে গোয়েন্দাদের দাবি ওই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে এক বছরে মোট ২০৭ কোটি টাকার লেনদেনের হদিশ মিলেছে। কিন্তু প্রত্যেকটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টই ছিল জিরো ব্যালান্সের। কিন্তু ওই অ্যাকাউন্টগুলি ছিল শৈলেশের নিয়ন্ত্রণে। কীভাবে তা সম্ভব হল এখন সেটাই জানতে চান তদন্তকারীরা।
তদন্তকারীদের দাবি একটি অ্যাকাউন্ট কয়েক মাসের জন্য ব্যবহার করার পরই তা বন্ধ করে দেওয়া হতো। তারপর অন্য অ্যাকাউন্ট খোলা হতো। এভাবেই চলত শৈলেশের জালিয়াতির কারবার।




