খবর লাইভ : সময় যত গড়াচ্ছে ততই বাড়ছে কুড়মি সমাজের অবরোধ কর্মসূচি । পশ্চিম মেদিনীপুরের খেমাশুলিতে মঙ্গলবার থেকে রেললাইন ও ছয় নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ শুরু করে কুড়মি সামাজিক সংগঠনগুলি । সেই অবরোধের প্রায় 60 ঘণ্টা পেরিয়ে গিয়েছে । তারপরও পরিস্থিতি সেই একই(Kurmi Agitation Effect)৷
আরও পড়ুনঃ গরুপাচার-কাণ্ডে ধৃত এনামুলের তিন ভাগ্নের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি সিআইডির
তাঁদের অবরোধের মূল দাবি, কুড়মি সম্প্রদায়কে এসটি তালিকাভুক্ত করা, কুড়মালি ভাষাকে স্বীকৃতি এবং সারনা ধর্মের স্বীকৃতি । এই তিন দাবিতে কুড়মি সমাজে অবরোধ কর্মসূচি জারি রয়েছে । কিন্তু বৃহস্পতিবার দুপুরের পর হঠাৎ করে ছয় নম্বর জাতীয় সড়ক থেকে ঝাড়গ্রাম ঢোকার যে পাঁচ নম্বর রাজ্য সড়ক সেখানে লোধশুলীর মোড়ে অবরোধ শুরু করে কুড়মি সমাজের মানুষরা । যার জেরে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের খড়গপুর ডিভিশনে প্রায় তিনদিন ধরে টাটা-খড়গপুর রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে । কলকাতা-মুম্বই ছয় নম্বর জাতীয় সড়ক তিনদিন ধরে বন্ধ করে রয়েছে । জাতীয় সড়কের দুপাশে সারি সারি দাঁড়িয়ে রয়েছে পণ্যবাহী লরি । নষ্ট হচ্ছে তাদের কাঁচামাল । আন্দোলন তোলার জন্য আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম, এই দুই জেলার প্রশাসনই কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছে । কিন্তু কুড়মি সমাজের নেতৃত্বরা কোনওমতেই তাঁদের দাবি না পূরণ হওয়া পর্যন্ত অবরোধ তুলতে নারাজ ।
অবরোধের তিন দিনের মাথায় এই অবরোধের আঁচ ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে চারিদিকে । আদিবাসী নাগাচারিক কুড়মি সমাজের নেতা অনুপ মাহাতো বলেন, “আমাদের দাবি না মানায় এই অবরোধের আঁচ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে । রেললাইন ও জাতীয় সড়কের পর এবার আমরা রাজ্য সড়ক ও প্রতিটি রাস্তা অবরোধ করতে শুরু করেছি । কয়েকদিনের মধ্যে সম্পূর্ণ জঙ্গলমহল স্তব্ধ হয়ে যাবে । আমাদের দাবি না মানলে আগামিকাল থেকে এই এলাকার জনপ্রতিনিধি এমএলএ, এমপিদের বাড়ি ঘেরাও করা হবে ।”




