Special News Special Reports State

থরে থরে রাখা অনুব্রতর কালীর ৫৭০ ভরি গয়না! র‍্যাডারে স্বর্ণকার

0
(0)

খবর লাইভ : প্রতিবছর ধুমধাম করে কালীপুজো করে থাকেন অনুব্রত মণ্ডল। তার এই কালীপুজোর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হল প্রতিমার গয়না। প্রতিবছর গুণিতক আকারে এই গয়নার পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়। ২০২০ সালের কালীপুজোর সময় অনুব্রত মণ্ডলের কালী প্রতিমার গায়ে যে সোনার অলংকার ছিল তার পরিমাণ ছিল ৩৬০-৩৭০ ভরি। পরের বছর অর্থাৎ ২০২১ সালে সেই অলংকারের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৫৬০-৫৭০ ভরি। এই অলংকারের আনুমানিক বাজার মূল্য তিন কোটি টাকার বেশি। এ বার সিবিআইয়ের নজরে অনুব্রত মণ্ডলের এই আরাধ্যদেবী কালীর গয়না।

আরও পড়ুনঃ মঙ্গলকোটের অশান্তি মামলায় বেকসুর খালাস অনুব্রত

প্রশ্ন উঠছে এত টাকা মূল্যের সোনার গয়না কোথায় থেকে এল? এ বার তারই তদন্ত করতে নেমেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। সূত্র মারফৎ জানা যাচ্ছে, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা জানতে চাইছেন, এই বিপুল পরিমাণ সোনার গয়না কোথায় থেকে কীভাবে এল? যে স্বর্ণ ব্যবসায়ী এই সকল সোনার গয়না তৈরি এবং কেনা অথবা বিক্রির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তা ইতিমধ্যেই সিবিআই আধিকারিকরা ডেকে জেরা করেছেন। বৃহস্পতিবার বিশ্বভারতীর রতনকুঠিতে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে মোট ৬ জন ব্যাঙ্ক আধিকারিক ছাড়াও এই স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে ডেকে পাঠানো হয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। বেশকিছুক্ষণ ধরেই তাদের সঙ্গে কথা বলেন সিবিআই আধিকারিকরা।
বুধবার অনুব্রত মণ্ডলের নতুন করে ১৪ দিনের জেল হেফাজত হওয়ার পর বুধবার রাতেই সিবিআই আধিকারিকদের ফের বোলপুরে আসতে দেখা যায়। বোলপুরে তাদের আসার পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে কোথায় তারা হানা দেন তার দিকেই তাকিয়ে ছিলেন সবাই। যদিও সকাল থেকে সিবিআই আধিকারিকদের রতনকুঠিতে থেকেই ব্যাংক আধিকারিকদের একে একে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপরেই ওই স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআই আধিকারিকরা। তারপর সিবিআই আধিকারিকরা বোলপুরের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখায় হানা দেন।
অনুব্রত মণ্ডলের কালী প্রতিমার এই বিপুল পরিমাণ অলংকার নিয়ে অনেকের মধ্যেই রয়েছে কৌতূহল। প্রতিবছর বোলপুর তৃণমূল কার্যালয়ে অনুব্রত মণ্ডল এই কালীপুজো করে থাকেন। নিজের হাতে প্রতিবছর পূজোর আগে প্রতিমার গায়ে অলংকার পরান। আবার ফলাও করে সেই অলংকার সাংবাদিকদের সামনে প্রদর্শন করতেও দেখা যায় তাকে। গয়নার তালিকায় রয়েছে নাকছাবি, নথ, নানা ডিজাইনের নেকলেস, হার, বালা, কঙ্কন, মান্তাসা, দুল, আংটি, মুকুট, শিবের নিরেট সোনা দিয়ে তৈরি কল্কে ইত্যাদি। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছেন এই বিপুল পরিমাণ সোনার গয়নায় এ বার অনুব্রত মণ্ডলের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *