Special News Special Reports State

মুখ্যসচিবকে তদন্তের নির্দেশ, আইনি নোটিশের মোকবিলা মুখ্যমন্ত্রী আইনি পথেই করবেন

0
(0)

খবর লাইভ : বেআইনি নির্মাণ বা দখলদাড়ির অভিযোগ সত্যি হলে বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হোক। মুখ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি বৃদ্ধির অভিযোগের স্পষ্ট জবাব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আইনি নোটিশের মোকবিলা তিনি আইনি পথেই করবেন বলে জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বুধবার নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে তিনি সাফ জানিয়ে দেন তাঁর পরিবারের সম্পত্তি নিয়ে আইনি নোটিস নিয়ে তিনি ভীত নন।

আরও পড়ুনঃ অঙ্কে নম্বর কম কেন? শিক্ষককে গাছে বেঁধে মার ছাত্রদের

সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি বৃদ্ধি নিয়ে আদালতে মামলা করা হয়েছে। তবে এই বিষয় যে তিনি বিন্দুমাত্র ভীত নন তা সাফ জানিয়ে দিলেন মমতা। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য,”কোনও সরকারি জমি আমি নিয়েছি বা কাউকে পাইয়ে দিয়েছি, ইমিডিয়েটলি তদন্ত করে বুলডোজার দিয়ে উড়িয়ে দিন।” এই কাজে তাঁর অনুমতি নেওয়ারও প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি এও বলেন, আইনের উপর তাঁর ভরসা আছে। মানুষের আদালতে তিনি নিশ্চই বিচার পাবেন।
বুধবার নবান্নে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “আমার পরিবারকে নোটিস দিলে আমি ভীত হব না, সন্ত্রস্ত হব না। আইনের লড়াই আমি আইনি পথেই লড়ব। জানি লড়াই খুব কঠিন হবে। কিন্তু তবু আইনের উপর আমার ভরসা আছে। অন্তত মানুষের আদালতে এর বিচার আমি পাব। আইনের প্রতি আমার শ্রদ্ধা আছে।’’
এদিন আক্ষেপের সুরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন “রাজনীতি করতে এসেছিলাম মানুষের সেবা করব বলে, কিন্তু এরোম নিকৃষ্টতম রাজনীতি হবে জানলে আমি নিজে রাজনীতিতেই আসতাম না। কিন্তু এসে যখন পড়েছি মা মাটি মানুষের কাজ করতে হবে।” তিনি আরও বলেন,”আমি স্বার্থের জন্য রাজনীতি করি না, এই চেয়ারটায় স্বার্থের জন্য বসি না। যে দিন মানুষ চাইবে না, আমি থাকব না। আই ডোন্ট কেয়ার।’’
মমতা বলেন, ‘‘আমি আজ ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে মুখ্যসচিবকে দায়িত্ব দিলাম। আমার জানা নেই, যদি আপনারা তদন্ত করে দেখেন এই ধরনের কোনও সরকারি জমি আমি নিয়েছি বা কাউকে পাইয়ে দিয়েছি, ইমিডিয়েটলি তদন্ত করে বুলডোজার দিয়ে উড়িয়ে দিন। আমার অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন নেই।”

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

As you found this post useful...

Follow us on social media!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *